Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    ৮১-তে প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কালমাডি! আজই হবে শেষকৃত্য

    6 দিন আগে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজনৈতিক জগতে ফের নক্ষত্র পতন! দীর্ঘ অসুস্থতার মাঝেই সকলকে চিরবিদায় জানিয়ে চলে গেলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুরেশ কালমাডি (Suresh Kalmadi Passed Away)। জানা গিয়েছে, বিগত কয়েকদিন ধরেই পুণের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা। আজ, মঙ্গলবার সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

    প্রয়াত সুরেশ কালমাডি!

    রিপোর্ট মোতাবেক, প্রাক্তন সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী সুরেশ কালমাডি আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার পুণের দীননাথ মঙ্গেশকর হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। কংগ্রেস সূত্রে জানা গেছে, তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থতায় ভুগছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানলেন তিনি। জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার বিকেলেই কালমাডির শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে পুণের বৈকুণ্ঠ শ্মশানভূমিতে। তবে তার আগে কালমাডি হাউসে প্রয়াত নেতার দেহ রাখা থাকবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য। শোকের ছায়া নেমেছে কালমাডির পরিবারে।

    আরও পড়ুনঃ ছয় ঘণ্টা অবধি সফর সময় কমতে পারে কামাখ্যা-হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপারে

    কমনওয়েলথ গেমস দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়েছিল নাম

    সুরেশ কালমাডির রাজনৈতিক জীবনের পাতা উল্টালে দেখা যাবে, ১৯৮০ সালে সুরেশ কালমাদি প্রথমবার কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৮৬ এবং ১৯৯২ সালে ফের রাজ্যসভার সাংসদ হন। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার লোকসভায় নির্বাচিত হন কালমাদি। এরপর ২০০৪ ও ২০০৯ সালেও পুনে লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন। কংগ্রেস নেতা হিসাবে পুণেতে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। তবে জনপ্রিয়তার মাঝে তার রাজনৈতিক জীবনে লেগেছিল কালো দাগ। রেলের প্রতিমন্ত্রী থাকলেও ভারতীয় ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন কালমাডি। তখনই কমনওয়েলথ গেমস দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে যায় তাঁর নাম। যা নিয়ে রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

    দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছিল কালমাডিকে

    জানা যায়, কমনওয়েলথ গেমস দুর্নীতির জন্য ২০১১ সালে সুরেশ কালমাডিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এমনকি দল থেকেও তাঁকে বহিষ্কার করে দেয় কংগ্রেস। পরে ২০১৬ সালে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের লাইফ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন কালমাডি। কিন্তু সেই নির্বাচন ঘিরে তদন্তের নির্দেশ দেয় ক্রীড়ামন্ত্রী। তাতেই পদ গ্রহণ করেননি কালমাডি। এমনকি কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর সুরেশ কালমাডি কার্যত রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এবং জনজীবন থেকে দূরে থাকেন। তবে মৃত্যুর আগে কমনওয়েলথ গেমস দুর্নীতি থেকে কার্যত ক্লিনচিট পেয়েছেন কালমাডি। গত এপ্রিলে কমনওয়েলথ গেমস কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত ED-র ক্লোজার রিপোর্টে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, এই মামলায় কোনও আর্থিক দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি। একই মত প্রেরণ করে CBI-ও।

    আরও পড়ুন: ‘কেন আমায় বাঁচানো হল?’ হাসপাতালে বেডে শুয়ে লাইভ দেবলীনা নন্দীর, স্বামীকে নিয়ে বললেন…

    কংগ্রেস নেতৃত্বের মতে, পুনে শহরের উন্নয়নে সুরেশ কালমাডির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৯২ সালে পুনে পুরসভায় তরুণ কর্পোরেটরদের নিয়ে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় থেকেই শহরের প্রকৃত উন্নয়ন শুরু হয়। একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প তিনি বাস্তবায়ন করেছিলেন। সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও কালমাডির অবদান উল্লেখযোগ্য। কংগ্রেস সূত্রে জানানো হয়েছে, গণেশ উৎসবের সময় আয়োজিত ‘পুনে ফেস্টিভ্যাল’ শুরু করেছিলেন তিনিই, যা বর্তমানে আজও দেশ-বিদেশের বহু মানুষকে আকর্ষণ করে চলেছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন শিখর ধাওয়ান, ভারতীয় তারকার হবু স্ত্রীকে চেনেন?
    Next Article
    জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহেই সুপ্রিম কোর্টে DA মামলার শুনানি?

    Related politics Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment