Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    Long Island City

    -0.79°C

    Stormy
    4.12 km/h
    60%
    0.2h

    Latest News Videos

    Latest

    আবেদনের আগে প্রস্তুত রাখুন সব নথি, জনকল্যাণ শিবিরে মিলছে বয়স বন্দনা স্কিমের ফর্ম

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: একের পর এক প্রতিশ্রুতি পূরণ করে চলেছে বিজেপি সরকার। এবার আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে জুড়ল পশ্চিমবঙ্গ। সোমবার রাজধানী দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এরপরেই এই প্রকল্পে কী কী সুবিধা (Ayushman Bharat) পাওয়া যাবে, কত মানুষ সুবিধা পাবেন, সেই বিষয়ে ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও এই প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা অবধি বিনা ব্যয়ে চিকিৎসা পাওয়া যাবে। আদতে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা, অথচ কর্মসূত্রে ভিনরাজ্যে থাকেন, তাঁরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। জনকল্যাণ শিবিরে ফর্ম বিতরণ, কী কী নথি জমা দিতে হবে জানুন (Ayushman Bharat) এখানে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য যেমন, আধার কার্ড নম্বর, রেশন কার্ড নম্বর, আধারের সঙ্গে সংযুক্ত মোবাইল নম্বর, জন্ম তারিখ ও লিঙ্গ এবং সম্পূর্ণ ঠিকানা (Ayushman Bharat) দিতে হবে। আরও পড়ুন: লালগোলা রুটে একাধিক ট্রেনের সময় পরিবর্তন, রইল নতুন সময়সূচি… এছাড়াও পরিবারের প্রধানের নাম ও মোট সদস্য সংখ্যা, ভোটার কার্ডের তথ্য (EPIC নম্বর, AC নম্বর, পার্ট নম্বর, সিরিয়াল নম্বর), স্বাস্থ্য সাথী URN নম্বর এবং প্যান কার্ডের নম্বর। একইসঙ্গে আবেদনকারীর নাম ২০২৬ সালের ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে কি না। বাদ গেলেও এসআইআরের ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছে কি না বা সিএএ-তে নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন কি না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সোমবার কেন্দ্রের সঙ্গে মৌ স্বাক্ষর করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। প্রসঙ্গত এই প্রকল্পে পাঁচ লক্ষ টাকার ক্যাশলেস স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা মেলে। ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত ৩৬,১৯৩টি হাসপাতাল এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতাল এর মধ্যে ১৬,৫৫৭টি (Ayushman Bharat)।

    ফ্রান্স ছেড়ে কেন আলজেরিয়ায় খেলেন জিদান পুত্র? কারণ জানলে গর্ব করবেন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিশ্ব ফুটবলে কিংবদন্তী হিসেবে পরিচিত ফ্রান্সের প্রাক্তন ফুটবলার জিনেদিন জিদান (Zinedine Zidane)। নিজের দেশ ফ্রান্সের হয়ে একের পর এক ম্যাচে ক্ষমতা দেখিয়েছেন তিনি। প্রমাণ করেছেন নিজের দক্ষতা। বিশ্ব কাঁপানো সেই কিংবদন্তির ছেলে 28 বছরের লুকা জিদান (Luca Zidane) খেলছেন এবারের বিশ্বকাপে। তবে ফ্রান্স নয়, বরং আলজেরিয়ার হয়েই গোলরক্ষকের ভূমিকা পালন করছেন তিনি। কিন্তু বাবা যেখানে ফ্রান্সের কিংবদন্তি, সেই দলের হয়ে না খেলে কেনই বা আলজেরিয়ায় নাম লেখালেন জিদানপুত্র? কেন আলজেরিয়ায় খেলছেন লুকা জিদান? ফ্রান্সে জন্ম হলেও আলজেরিয়ার মাটিতেই বেড়ে উঠেছেন লুকা। বিশেষ করে তাঁর পূর্বপুরুষদের সাথে এই দেশের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বহু আগেই জিদানের বাবা-মা আলজেরিয়ার কাবাইল অঞ্চল থেকে পাড়ি দিয়েছিলেন ফ্রান্সে। এক কথায়, জিদানদের পরিবারের শিকড় রয়েছে এই আলজেরিয়া দেশে। জানা যায়, একেবারে ছোটবেলা থেকেই দাদু ঠাকুমার কাছ থেকে আলজেরিয়ার গল্প শুনতেন লুকা। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে এই দেশটার প্রতি টান তৈরি হয়েছিল জিদান পুত্রের। এরপর একটা সময় তিনি ঠিক করে নেন ফুটবল খেলতে হলে আলজেরিয়ার জার্সিতেই খেলবেন। সেই মতোই আলজেরিয়ার জাতীয় দলে অভিষেক করেন তিনি। আর তারপর এবার বিশ্বকাপেও জায়গা পেয়ে গেলেন এই খেলোয়াড়। আজ অর্থাৎ বুধবার আর্জেন্টিনার ম্যাচেও গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্ব ছিল লুকা জিদানের হাতে। অবশ্যই পড়ুন: ‘DA দেয়নি অথচ …’ স্মার্ট মিটার সহ নানান ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গর্জন কর্মীদের প্রসঙ্গত, বাবা ফ্রান্সের হয়ে ফুটবলে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরও ছেলে লুকা কেন আলজেরিয়ায় খেলেন এ নিয়ে নানান প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তরুণ ফুটবলারকে। সেই সময় অবশ্য আলজেরিয়ার গোলরক্ষক জানিয়েছিলেন, এই দেশটার প্রতি ভালবাসা থেকে ফুটবল খেলার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি তিনি মনে করেন আলজেরিয়ার হয়ে খেলা মানে নিজের পূর্বপুরুষদের সম্মান জানানো।

    নেতাদের উপর একের পর এক ডিম-হামলা, শেষমেশ আদালতে গড়াল বিতর্ক! মামলায় জুড়ল কুণাল ঘোষের নাম

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যে একের পর এক রাজনৈতিক নেতাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনা ঘটছে। কখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কখনও আবার কুণাল ঘোষ। এই ধরনের ঘটনা কেন বারবার হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবার কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জনপ্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে। ডিম-কাণ্ডে কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) মামলা আইনজীবী অতীন্দ্র চৌধুরী কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) এই জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের নামও রাখা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। মামলাকারীর বক্তব্য, প্রকাশ্যে রাজনৈতিক নেতা বা জনপ্রতিনিধিদের উপর বারবার ডিম ছোড়ার মতো ঘটনা ঘটছে। এর পিছনে কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা দরকার। তাই পুরো বিষয়টির বিচারবিভাগীয় তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। শুধু তদন্ত নয়, ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, তার জন্যও আদালতের (Calcutta High Court) হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার আবেদন করা হয়েছে। এই ডিম-কাণ্ড নিয়ে রাজ্যে আলোচনা শুরু হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘটনাকে ঘিরে। সোনারপুরে একটি কর্মসূচিতে গিয়ে তিনি বিক্ষোভের মুখে পড়েন। সেই সময় তাঁর দিকে ডিম ছোড়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তারপর আরও কয়েকজন নেতা একই ধরনের ঘটনার শিকার হন। সম্প্রতি কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে কুণাল ঘোষকে লক্ষ্য করেও ডিম ছোড়া হয়। ওই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। আরও পড়ুনঃ কুণালের উপর ডিম হামলার পরই বড় পদক্ষেপ! মমতার কালীঘাটের বাড়িতে বসল নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা একের পর এক এমন ঘটনা সামনে আসতেই বিষয়টি আদালতে পৌঁছেছে। এখন হাই কোর্ট (Calcutta High Court) এই বিষয়ে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

    বিজেপি সরকার আসতেই খুলল জগদ্দলের বন্ধ জুটমিল, কাজ ফিরে পেলেন ২৫০০ শ্রমিক

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতেই আশার আলো দেখছে সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে ফের দরজা খুলল উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলের (Jagaddal) জুট মিলের। বুধবার থেকে উৎপাদন শুরু হতেই মিল চত্বরে একেবারে খুশির হাওয়া বইছে। বহুদিন পর কাজ ফিরে পেয়ে আনন্দে মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন শ্রমিকরা। এমনকি মিল পুনরায় চালু হওয়ার কারণে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিকের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। খুশির হাওয়া জগদ্দলে জানিয়ে রাখি, গত বছরের শেষ দিকে বন্ধ হয়ে যাওয়া এই জুট মিলটি ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগে ছিলেন শ্রমিকরা। কর্মসংস্থান হারিয়ে অনেক পরিবার সংকটের মুখে পড়েছিল। অবশেষে শ্রম দফতরের উদ্যোগে মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হয় এবং গোটা বিষয়ের নেতৃত্ব দেন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা নিউ সেক্রেটারিয়েটে শ্রম দফতরের উদ্যোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আর সেখানে উপস্থিত ছিলেন অর্জুন সিং, প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য, মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সদস্য ও শ্রম কমিশনারেট আধিকারিকরা। বৈঠকে দীর্ঘ সময় ধরেই মিল সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এমনকি শ্রমিকদের বকেয়া, উৎপাদন পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মত বিনিময়ের পর সর্বসম্মতিক্রমেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার থেকেই পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছে ওই মিলে। এদিকে মিল খুলে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তে শ্রমিকদের মধ্যে দেখা যায় উচ্ছ্বাস। অনেকেই জানান, গত কয়েক মাস ধরে কাজ না থাকায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। এক শ্রমিকের কথায়, আমরা দীর্ঘদিন ধরেই মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পরিবার নিয়ে সমস্যার মধ্যে পড়েছিলাম। নিয়মিত আয়ের কোনও রাস্তা ছিল না। আবার কাজ শুরু হওয়ার কারণে নতুন করে বাঁচার আশা পেলাম। আমরা চাই মিলটি দীর্ঘদিন ধরেই চলুক। এতে হাজার হাজার পরিবারের রুটিরুজি জড়িয়ে রয়েছে। আরও পড়ুন: ‘DA দেয়নি অথচ …’ স্মার্ট মিটার সহ নানান ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গর্জন কর্মীদের এদিকে শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, জুটশিল্প বাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। এই শিল্পকে পুনরুদ্ধ করার জন্য সরকার দীর্ঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শ্রমিক এবং মালিকপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ে ঘটিয়ে বন্ধ মিলকে পুনরায় চালু করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জুট শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

    পাক আক্রমণে বিধ্বস্ত আগানিস্তানকে ৫ টন জীবনদায়ী ওষুধ পাঠিয়ে মানবিকতার নজির মোদীর

    নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে মানবিক সহায়তা বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার (Kabul)। রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জে জর্জরিত আফগানিস্তানের পাশে আবারও দাঁড়াল ভারত। ১৭ জুন ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ৫ টন প্রয়োজনীয় জীবনদায়ী ওষুধ পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি আগানিস্তানে পাক এয়ার স্ট্রাইকে মৃত্যু হয়েছে শিশু সহ বহু মানুষের। বিশ্বজুড়ে বইছে নিন্দার ঝড়। এই আবহে ভারতের পাঠানো এই জীবনদায়ী ওষুধ ভারত এবং আফগানিস্তানের মধ্যে বন্ধুত্ব আরও জোরালো করেছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন যে, কাবুলে পাঠানো এই ওষুধের চালান সম্পূর্ণ মানবিক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। আফগান জনগণের স্বাস্থ্যসেবা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভারতের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিরই অংশ এই উদ্যোগ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়েই এই সহায়তা অব্যাহত রাখা হচ্ছে। আরও দেখুনঃ চায়ের দোকান চালানোর নাম করে পাক গুপ্তচরবৃত্তি! গেরুয়া রাজ্যে আইনের আওতায় মুস্তাক আলি আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নতুন নয়। গত কয়েক দশক ধরে ভারত আফগানিস্তানের পরিকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে আফগানিস্তানে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও ভারত মানবিক সহায়তার ধারা বন্ধ করেনি। অতীতে বহুবার জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, খাদ্যশস্য এবং শিশুদের টিকাকরণ কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি। বিসিজি, টিটেনাস ও ডিপথেরিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ টিকাও ভারতের তরফে সরবরাহ করা হয়েছে। তবে এই ইতিবাচক খবরের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে একটি বিতর্কিত বক্তব্যও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, একদিকে ভারত আফগানিস্তানে ওষুধ পাঠাচ্ছে, অন্যদিকে পাকিস্তান নাকি ড্রোনের মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এই বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফ্যাক্ট চেক অনুযায়ী, ভারতের ৫ টন ওষুধ পাঠানোর খবরটি সম্পূর্ণ সত্য এবং সরকারি সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যে নির্দিষ্ট অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা বর্তমানে কোনো নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থা বা স্বীকৃত তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমাণিত নয়। ফলে এই দাবিকে তথ্যভিত্তিক সত্য হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল। বিশেষ করে ডুরান্ড লাইন সংলগ্ন এলাকায় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সামরিক অভিযান এবং বিমান হামলার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। তবে সেই ঘটনাগুলিকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই অতিরঞ্জিত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি ছড়িয়ে পড়ে, যা বাস্তব পরিস্থিতিকে বিভ্রান্তিকর করে তুলতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বিশ্বে তথ্যযুদ্ধও এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হয়ে উঠেছে। তাই সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্যকে সত্য বলে মেনে নেওয়ার আগে সরকারি সূত্র, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং নিরপেক্ষ তদন্তের রিপোর্ট যাচাই করা প্রয়োজন। ভারতের সাম্প্রতিক মানবিক সহায়তা আবারও প্রমাণ করল যে, কূটনৈতিক মতপার্থক্য বা আঞ্চলিক রাজনৈতিক জটিলতা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের কল্যাণে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। আফগানিস্তানের স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ৫ টন ওষুধ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    র‍্যাপিডো চালককে অপমান, গালিগালাজ করার শাস্তি! কোম্পানি থেকে বরখাস্ত ভাইরাল তরুণী

    অনন্যা সরকার, কলকাতা: কিছুদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চায় রয়েছেন কলকাতার এক তরুণী। একটি ভিডিও (Viral Video) সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, ওই তরুণী এক অ্যাপ বাইক চালককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও থাপ্পর মারার হুমকি দিচ্ছেন। যদিও খুব সংযত ভাবেই ওই বাইক রাইডার নিজের বক্তব্য রাখছিলেন। পরিশ্রম করে খেটে খাওয়া ওই অ্যাপ বাইক চালককে অপমান করার ভিডিও ভাইরাল হতেই ছি-ছিক্কার শুরু হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখন শোনা যাচ্ছে, যে কোম্পানিতে কাজ করেন ওই তরুণী, সেখান থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।    আসলে কী ঘটেছিল ? ঘটনার দিন দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য একসঙ্গে দুটি বাইক বুক করেন ওই তরুণী। ভেবেছিলেন যে আগে আসবে তার সাথেই যাবেন। কিছু সময়ে ফারাকে দুটি বাইকই লোকেশনে পৌঁছায়। সামান্য দেরিতে যে রাইডার আসেন তার অভিযোগ, লোকেশনে আসার পর ওই তরুণী তার রাইডটি ক্যান্সেল করেন। স্বাভাবিকভাবে বাইকের চালক এনিয়ে প্রশ্ন করাতে বিতর্ক শুরু হয়। অদ্ভুত যুক্তির সাথে গালিগালাজ করতে আরম্ভ করেন ওই তরুণী, সঙ্গে কষিয়ে থাপ্পর মারবেন বলেও হুমকি দেন ওই চালককে। চেঁচামেচিতে তরুণীর বাড়ি থেকে তার মা বেরিয়ে আসেন। তার সামনেও ভাষায় সংযম আনেননি ওই তরুণী। পুরো ঘটনাটি তার ফোনের ক্যামেরায় রেকর্ড করেন ওই চালক।  একটা সময় পর অপমানিত হয়ে বাইক রাইডারটি সেখান থেকে চলে যান। কিন্তু তার নামে পুলিশের কাছে অভিযোগও জানান ওই তরুণী। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে মারধর করেছে বলে অভিযোগ করেন ওই অ্যাপ বাইক চালক। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি আপলোড করতেই খুব দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ ওই তরুণীর ব্যবহার দেখে সমালোচনার বন্যা বইয়ে দেন।   আরও পড়ুনঃ ‘DA দেয়নি অথচ …’ স্মার্ট মিটার সহ নানান ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গর্জন কর্মীদের অনেকে মন্তব্য করেন, গরীবের খেটে খাওয়া মানুষের সাথে তথাকথিত ‘শিক্ষিতরা’ এইরকম আচরণ করে থাকেন। কেউ কেউ আবার তরুণীকে তার কোম্পানি থেকে বরখাস্ত করার দাবিও জানান। সম্প্রতি নভেস্টা গ্রুপের (Novesta Group) তরফ থেকে পাঠানো একটি ‘টার্মিনেশন লেটার’ সোশ্যাল মিডিয়াতে ভেসে বেড়াচ্ছে। ওই তরুণী এই কোম্পানিতেই চাকরি করেন বলে জানা গিয়েছিল। বলা হচ্ছে, টার্মিনেশন লেটারটি ওই তরুণীকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া হয়েছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হওয়া এই লেটারটির কোনও সত্যতা আছে কিনা, তা এখনো জানা যায়নি। যদিও, অনেক নেটনাগরিকই এই সিদ্ধান্তকে কুর্নিশ জানিয়েছেন।

    রাতারাতি নায়ক বদল, চার মাসেই গল্প পালটে যাবে সিরিয়ালের?

    বাংলাহান্ট ডেস্ক : ‘শুধু তোমারি জন্য’ সিরিয়াল (Serial) নিয়ে এল বড় আপডেট। স্টার জলসার এই সিরিয়ালে সদ্য এসেছে বড়সড় বদল। নায়ক শুভ্রজিৎ সাহা ছেড়ে দিয়েছেন ধারাবাহিক। পায়ে চোট লাগার ফলেই বাধ্য হয়ে তাঁকে সিরিয়াল ছাড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর জায়গায় কে আসছেন নতুন নায়ক হয়ে? নতুন নায়কের খোঁজ শুরু এই সিরিয়ালের (Serial) জন্য টেলিপাড়া সূত্রে খবর, নতুন নায়কের খোঁজ করা শুরু হয়ে গিয়েছে সিরিয়ালের জন্য। নায়ক ছাড়া বেশিদিন তো একটি মেগা সিরিয়ালের শুটিং চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই নতুন মুখ খোঁজার পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। শোনা যাচ্ছে, মঙ্গলবার রাতে অভিনেতা সায়ন বসুর লুকসেট হয়েছে। যদিও এখনও তাঁকে চূড়ান্ত করা হয়নি বলেই খবর। আজ বুধবার আরও কিছু লুকসেট হওয়ার কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবারের মধ্যেই নতুন নায়ক চূড়ান্ত হয়ে যাবে বলে খবর। সিরিয়াল ছাড়েন অভিনেতা: মে মাসে শুটিং সেটে পড়ে গিয়ে চোট পান শুভ্রজিৎ। ‘টর্ন লিগামেন্ট’ নিয়েই গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হুইলচেয়ারে বসে শুটিং চালাচ্ছিলেন শুভ্রজিৎ। সবটাই সিরিয়ালের স্বার্থে। কিন্তু পরবর্তীতে এমআরআই রিপোর্টে ধরা পড়ে, তাঁর পায়ের জটিলতা আরও বেড়েছে। পায়ে প্লাস্টারও করতে হয়। তাই বাধ্য হয়েই সিরিয়াল (Serial) থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভ্রজিৎ। আরও পড়ুন : জামাইদের পাতে তুলে দিন মরশুমের প্রথম ইলিশ, কত করে চলছে বাজারদর? হঠাৎ সিরিয়াল ছাড়ার সিদ্ধান্ত: সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্টে সবটাই জানিয়েছেন শুভ্রজিৎ। তিনি লিখেছেন, ‘পা আর সঙ্গ দিচ্ছে না’। তাঁর পোস্ট থেকেই জানা যায়, সিরিয়ালের (Serial) প্রথম প্রোমোর মাত্র ৩ দিন আগে তাঁর কপাল ফেটে যায়। কপালে স্টিচ নিয়েই লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে জেট স্কিইং করার শট দিয়েছিলেন তিনি। আরও পড়ুন : আগামীকাল পর্যন্ত রয়েছে সময়, আপনার ব্লকে কোথায় হচ্ছে জনকল্যাণ শিবির দেখে নিন এক ক্লিকে পায়ে প্লাস্টার পড়ার পড়েও হুইলচেয়ারে বসে দিনরাত শুটিং করেছেন শুভ্রজিৎ। এতে হাত ও কোমরে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হওয়ায় প্রোডাকশনের কাছে ১০ ঘন্টা শুটিং করার অনুমতি চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সিরিয়ালের নায়ককে ছাড়া তো শুটিং করা সম্ভব নয়। তাই সবদিক বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভ্রজিৎ। এবার নতুন কোন নায়ককে নিয়ে গল্প এগোয় সেটাই দেখার।

    চায়ের দোকান চালানোর নাম করে পাক গুপ্তচরবৃত্তি! গেরুয়া রাজ্যে আইনের আওতায় মুস্তাক আলি

    জয়পুর: রাজস্থানের নাছনা, জয়সলমের থেকে গ্রেফতার মুস্তাক আলিকে(Mustaq Ali) বিশেষ আদালতে তোলা হল। রাজস্থান ইন্টেলিজেন্সের অভিযোগ, তিনি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে দেশের স্পর্শকাতর তথ্য পাচার করছিলেন। বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর সুদেশ সতওয়ান বলেছেন, তার মোবাইলে দেশ, সেনাবাহিনী ও বিএসএফ সংক্রান্ত ছবি, ভিডিও এবং ফাইল পাওয়া গেছে, যা তিনি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠিয়েছিলেন। মুস্তাক আলি জয়সলমেরের নাছনা এলাকায় একটি ছোট চায়ের দোকান চালাতেন। প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, এই চায়ের দোকানকে আড়াল করে তিনি স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করতেন। তার মোবাইলে উন্নত প্রযুক্তির ‘গুগল ম্যাপস ক্যামেরা অ্যাপ’ পাওয়া গেছে, যার মাধ্যমে ছবি ও ভিডিও তোলার সময় সেই স্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হয়। এই অ্যাপ ব্যবহার করে তিনি সেনাবাহিনী ও বিএসএফ-এর গতিবিধি, অবস্থানসহ গুরুত্বপূর্ণ ছবি ও ভিডিও তুলে পাকিস্তানে পাঠাতেন। আরও দেখুনঃ LOC পেরিয়ে ভারতে প্রেম করতে এসে সেনার হাতে আটক POK র যুবক সুদেশ সতওয়ান আরও জানান, মুস্তাক আলি কমপক্ষে দু’বছর ধরে পাকিস্তানি এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তার তৎপরতা বেড়ে গিয়েছিল। নিয়মিত ফাইল, ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছিলেন। রাজস্থান ইন্টেলিজেন্স টিম তার মোবাইল বাজেয়াপ্ত করার পর এসব প্রমাণ হাতে আসে। তাকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালত তাকে ২২ জুন পর্যন্ত রিমান্ডে পাঠিয়েছে। এই গ্রেফতার রাজস্থানের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। জয়সলমের সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সেখানে সেনা ও বিএসএফ-এর তৎপরতা বেশি। অভিযোগ, মুস্তাক আলি সাধারণ চায়ের দোকানদারের ছদ্মবেশে স্থানীয় মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতেন। তারপর সেগুলো পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে পৌঁছে দিতেন। স্থানীয় বাসিন্দারা এই খবরে চাঞ্চল্য প্রকাশ করেছেন। সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের গুপ্তচরবৃত্তি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। বিশেষ করে যখন প্রযুক্তির সাহায্যে স্থানাঙ্কসহ ছবি পাঠানো হয়, তখন শত্রুপক্ষের পক্ষে লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা সহজ হয়ে যায়।রাজস্থান ইন্টেলিজেন্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মুস্তাক আলির সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার ফোনের কল রেকর্ড, চ্যাট ও অন্যান্য ডেটা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এই তদন্তে নতুন কোনো সূত্র বেরিয়ে আসলে আরও গ্রেফতার হতে পারে।এই ঘটনা দেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে গুপ্তচরবৃত্তির বিরুদ্ধে সতর্কতা আরও বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ মানুষের ছদ্মবেশে এ ধরনের কাজ করা লোকজনকে চিহ্নিত করা খুবই জরুরি। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো দরকার, যাতে তারা সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানায়।

    ডলারের বিপরীতে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়াল টাকা, দেখুন আজকের রেট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মার্কিন ডলারের (United States Dollar) বিপরীতে আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় টাকা (Indian Rupee)। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমা এবং মার্কিন ডলারের শক্তি কিছুটা দুর্বল হওয়ার কারণে ভারতের মুদ্রার বাজারে পড়ল ইতিবাচক প্রভাব। বুধবার লেনদেনের শুরুতেই ডলারের বিপরীতে ৩১ পয়সা শক্তিশালী হল ভারতীয় মুদ্রা। ফরেক্স বাজারের তথ্য অনুযায়ী, এদিন সকালে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে ১ ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য দাঁড়িয়েছে ৯৪.২৯ টাকা। যেখানে আগের সেশনে টাকা ৯৪.৬০-এ বন্ধ হয়েছিল। সেখানে আজ অনেকটাই উত্থান। কেন শক্তিশালী হচ্ছে ভারতীয় টাকা? বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পিছনে অন্যতম প্রধান কারণ হল আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কমে যাওয়া। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার কারণে বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ অনেকটাই দূর হয়েছে। এর ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম নেমে এসেছে ব্যারেল প্রতি একেবারে ৭৯ ডলারের কাছাকাছি, যা বিগত তিন মাসের মধ্যে একেবারে সর্বনিম্ন স্তর। আর তেলের দাম কমে গেলে ভারতের আমদানি খরচও তুলনামূলকভাবে কমে যায়। যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার উপর চাপ কম পড়ে এবং ভারতীয় টাকা শক্তিশালী হয়। এদিকে বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন–ইরান সমঝোতার কাঠামো সামনে আসার পরে তিনটি ট্রেডিং সেশনে ভারতীয় টাকা প্রায় ১.৩০ টাকা পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে বাজারের মনোভাব আগের তুলনায় অনেকটাই ইতিবাচক। আর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্ভাবনাও রুপির পক্ষে কাজ করছে। মুদ্রা বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে ডলার প্রতি ভারতীয় টাকার জন্য ৯৫.০০ থেকে ৯৫.৩০ টাকা শক্তিশালী স্তর হিসাবে কাজ করতে পারে। আরও পড়ুন: ‘DA দেয়নি অথচ …’ স্মার্ট মিটার সহ নানান ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গর্জন কর্মীদের কিন্তু যদি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের প্রভাব বাড়তে থাকে এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি শক্তিশালী থাকে, তাহলে আগামী কয়েক দিন ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য আরও উন্নতি হবে, এবং তা ৯৪.০০ থেকে ৯৩.৮০ টাকার স্তরের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বাজার সম্পূর্ণ নিশ্চিত নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের দিকেই নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।

    বাজেটে বড় চমক? ব্লু-প্রিন্ট সাজাতে নির্মলার দরবারে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী

    কলকাতা: রাজ্যে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এই প্রথম বিধানসভায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছে নতুন সরকার। আগামী ২২ জুন রাজ্য বাজেট পেশ করবেন বাংলার অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। হাতে সময় অত্যন্ত কম, তাই নবান্নের অর্থ দফতরে এখন চূড়ান্ত ব্যস্ততার ছবি। আর ঠিক এই হাই-ভোল্টেজ আবহেই আচমকা দিল্লি সফরে গেলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। (West Bengal Finance Minister meets Nirmala Sitharaman) দিল্লিতে জোড়া মেগা বৈঠক প্রশাসন সূত্রের খবর, বুধবার রাজধানীতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেন স্বপন দাশগুপ্ত। পাশাপাশি, নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান তথা দেশের অন্যতম প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীর সঙ্গেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। রাজ্যের ঘাড়ে এই মুহূর্তে বিপুল ঋণের বোঝা। অথচ নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথম বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য বড়সড় চমক রাখাটাও কার্যত একটি অগ্নিপরীক্ষা। অর্থনীতিবিদদের মতে, কোষাগারের বেহাল দশা সামলে কীভাবে জনমোহিনী ও উন্নয়নমুখী বাজেট তৈরি করা যায়, সেই রূপরেখা চূড়ান্ত করতেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং নীতি আয়োগের শীর্ষ কর্তার বিশেষ পরামর্শ নিতে গিয়েছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। কী বললেন স্বপন দাশগুপ্ত? রাজধানীর এই জোড়া বৈঠকে বাজেটের কোন কোন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু জানাননি অর্থমন্ত্রী। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, “বাংলায় আর দুর্বল রাজনীতি নয়, এবার সময় এসেছে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার। বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং শিল্পের প্রসার ঘটাতে হবে। এই লক্ষ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে একসঙ্গে নজরদারি চালিয়ে কাজ করতে হবে।” চমকের অপেক্ষায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বাংলা ক্ষমতায় আসার পরপরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে বিশেষ চমক থাকবে। বুধবার ফলতায় আয়োজিত একটি জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি থেকেও মুখ্যমন্ত্রী সেই প্রত্যাশার পারদ আরও একবার চড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “আগামী ২২ তারিখ বাজেট পেশ হবে। সেখানে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য একাধিক যুগান্তকারী কর্মসূচি নেওয়া হবে। শিল্পের সার্বিক বিকাশের পাশাপাশি কৃষকদের স্বার্থেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে এই বাজেটে।” তবে ঠিক কী চমক অপেক্ষা করে রয়েছে, তা আপাতত বাজেট পেশের দিন পর্যন্ত জিইয়ে রাখতেই চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।