Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    Latest

    নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, পুজোতেও ছুটি নয়, খোলা থাকবে হাইকোর্ট

    বাংলাহান্ট ডেস্ক : পুজোর দিনেও বন্ধ নয়। পুজোর কটা দিনেও সচল থাকবে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র বি ঘুগের অনুমোদনক্রমে হাইকোর্ট প্রশাসন অবকাশকালীন বেঞ্চের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানেই দেখা গিয়েছে, পুজোর প্রত্যেক দিনই হাইকোর্টে অন্তত একটি করে বেঞ্চ বসবে। পুজোতেও পুরোপুরি বন্ধ নয় কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) সূত্রের খবর অনুযায়ী, পুজোর সময়ে জরুরি ভিত্তিতে কিছু শুনানি হবে। এমনিতে ছুটির সময়ে কিছুদিন অবকাশকালীন বেঞ্চ বসে। কিন্তু পুজোর সময়ে কলকাতা হাইকোর্ট পুরোপুরি বন্ধ থাকছে, এই সিদ্ধান্ত প্রথম বলেই মনে করা হচ্ছে। কী বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে: আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত হাইকোর্টের বার্ষিক পুজোর ছুটি চলাকালীন বিশেষ ভ্যাকেশন বেঞ্চ এবং বিচারপতিদের নাম ঘোষণা করে জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। জরুরি মামলার শুনানির জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পুজোর ছুটি চারটি পার্টে বিভক্ত করে জরুরি মামলার শুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আরও পড়ুন : বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে হবে রাস্তার নামকরণ, পুজোর মুখে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর কারা থাকবেন বেঞ্চে: জানা গিয়েছে, পঞ্চমী, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীর দিনগুলিতে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ডিভিশন ও সিঙ্গেল বেঞ্চ বসবে। ১৬ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে ডিভিশন বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি থেকে অন্য বিচারপতিরাও শুনানি করবেন। একাদশীর পর থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর সময়কালের মধ্যে ডিভিশন ও সিঙ্গেল বেঞ্চে দায়িত্বে থাকবেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ, বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুর, বিচারপতি সন্দীপ কুমার দে, বিচারপতি আর্য্যক দত্ত, বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য আরও অনেকে। আরও পড়ুন : পুজোয় আকাশছোঁয়া টিকিট, ট্রেনের ফার্স্টক্লাসকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া কালীপুজো, ভাইফোঁটার ছুটির সময়েও খোলা থাকবে ভ্যাকেশন বেঞ্চ। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ভ্যাকেশন বেঞ্চের সামনে শুধুমাত্র জরুরি এবং নিয়মিত কোর্ট থেকে অনুমতি পাওয়া বিষয়গুলিই উত্থাপন করা যাবে।

    পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার নিয়ম শিথিল করল EPFO

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF) অ্যাকাউন্টধারীদের বিরাট স্বস্তি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) তাদের পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার নিয়ম আরও শিথিল করেছে। স্কিমের অধীনে, এখন অসুস্থতা, সন্তানের শিক্ষা, বিবাহ এবং বাড়ি কেনার মতো প্রয়োজনে পিএফ ফান্ডের একটি বড় অংশ তোলা যাবে। বড় সুখবর শোনাল EPFO নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আংশিক টাকা তোলার সময় কর্মচারীদের অবশ্যই তাদের অ্যাকাউন্টে যোগ্য পিএফ ব্যালেন্সের কমপক্ষে ২৫% বজায় রাখতে হবে। বাকি ৭৫% সংশ্লিষ্ট বিভাগের শর্ত সাপেক্ষে তোলা যাবে। পিএফ অ্যাকাউন্টে ২৫% ব্যালেন্স রাখার অর্থ কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ (যেমন ২৫,০০০ টাকা বা ৫০,০০০ টাকা) নয়, বরং এটি আপনার মোট যোগ্য পিএফ ব্যালেন্সের উপর নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার পিএফ অ্যাকাউন্টে মোট যোগ্য ব্যালেন্স ১ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে অ্যাকাউন্টে ২৫,০০০ টাকা থাকবে এবং আপনি সর্বোচ্চ ৭৫,০০০ টাকা তুলতে পারবেন। এই ব্যালেন্সে কর্মচারীর অবদান, নিয়োগকর্তার অবদান এবং এর উপর অর্জিত সুদ অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই নতুন নিয়মের উদ্দেশ্য কী? ঘন ঘন টাকা তোলার কারণে অবসরকালীন তহবিল যাতে সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষ হয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করার জন্যই EPFO এই ২৫% ন্যূনতম ব্যালেন্সের নিয়ম চালু করেছে। কখন সম্পূর্ণ টাকা তুলতে পারবেন? এই নিয়মে বলা নেই যে বাকি ২৫% কখনোই তোলা যাবে না। নতুন বিধান অনুযায়ী, বিশেষ পরিস্থিতিতে এক বছর পর অবশিষ্ট ২৫% তোলা যেতে পারে। এছাড়াও, অবসর, স্থায়ী অক্ষমতা, ছাঁটাই, ভিআরএস বা বিদেশে ট্রান্সফারের মতো পরিস্থিতিতে ১০০% পিএফ তোলার অনুমতি রয়েছে। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ (সিবিটি) অনুমোদিত সাধারণ কাঠামোর অধীনে, আংশিক টাকা তোলার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম চাকরির মেয়াদ এখন কমিয়ে ১২ মাস করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ টিফিনের টাকা জমিয়ে শতাধিক দুঃস্থকে পুজোর পোশাক, বড় কীর্তি মালদার স্কুল পড়ুয়াদের অসুস্থতা, বিয়ে, বাড়ি এবং হোম লোনের প্রয়োজনের সময়ে সম্পূর্ণ টাকা তোলা যাবে। এছাড়াও রয়েছে তৃতীয় বিভাগ। এই তৃতীয় বিভাগ-এর “বিশেষ পরিস্থিতি” আরও সম্প্রসারিত করা হয়েছে। সদস্যরা এখন কোনো নির্দিষ্ট কারণ না দেখিয়েই আংশিক টাকা তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন। বাধ্যতামূলক ন্যূনতম ব্যালেন্স (২৫%) এবং প্রযোজ্য ব্যবহারের সময়সীমা সাপেক্ষে, যোগ্য ব্যালেন্স ব্যবহার করা যাবে।

    পুজো উদ্বোধনের সময় হেনস্থার শিকার মমতা! অভিযুক্ত আটক হলেও নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃতীয়ার সন্ধ্যায় নিজের পাড়া কালীঘাট মিলন সংঘের (Kalighat Milan Sangha) পুজো উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই সময় এক সিভিক ভলেন্টিয়ার তথা মাদকাসক্ত মহিলা ছুরি নিয়ে তেড়ে আসার পাশাপাশি তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ। এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। পুজো উদ্বোধন করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার মমতা | (Mamata Banerjee) মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে প্রত্যেক বছর পুজোয় অত্যন্ত ব্যস্ত থাকতেন মমতা। কলকাতার পাশাপাশি ভার্চুয়ালি জেলার একাধিক পুজোর উদ্বোধন করতেন তিনি। তবে পালাবদলের পর পরিস্থিতি বদলেছে। এদিন একেবারে আটপৌড়ে শাড়ি পরে নিজের পাড়ার পুজো উদ্বোধন করতে যান তিনি। সেই সময়ই বাঁধে বিপত্তি। আরও পড়ুনঃ দিঘায় পর্যটকদের জন্য চালু হল সেফ ট্রিপ দিঘা অ্যাপ! কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে জানুন ইতিমধ্যেই এই নিয়ে কালীঘাট থানায় ইমেল মারফত লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন দোলা সেন। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। তন্নিষ্ঠা সাহা নামের এক তরুণী আচমকাই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দিকে ছুরি হাতে হিংসাত্মকভাবে তেড়ে আসেন। তন্নিষ্ঠা নামের ওই তরুণী এলাকায় সিভিক ভলেন্টিয়ার হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি তিনি মাদকাসক্ত বলেও দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই তরুণী নিজেকে মমতার ভাইঝি হিসেবে দাবি করছিলেন। অভিযোগপত্রে আরও দাবি, ওই তরুণী গালিগালাজের পাশাপাশি অত্যন্ত অশালীন আচরণ করেছেন। ঘটনার সময়েও তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, মমতার শারীরিক ক্ষতি করার জন্যই ওই তরুণী তাঁর উপর হামলা চালাতে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক বিশৃঙ্খলা সামলে শেষমেষ পুজোর উদ্বোধন করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তিনি জেড প্লাস নিরাপত্তা পান। এমন একজন মানুষের কাছে একজন সশস্ত্র আক্রমণকারী কীভাবে পৌঁছলেন, সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি বড়সড় ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দোলা। অভিযোগপত্রে দাবি, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৭৩ ধারা অনুসারে মামলা রুজু করে অবিলম্বে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সঙ্গে জমা দেওয়া সিসিটিভি তথা ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হোক। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে আটক করেছে পুলিশ। এই বছর পুজোর সূচনালগ্নে রাজ্যে ছিলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লির আন্দোলনে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। তৃতীয়ায় নিজের পাড়ার পুজো উদ্বোধনের সময় হেনস্থার মুখে পড়লেন তিনি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে বলে খবর।

    কালীঘাটে পুজো উদ্বোধনে মমতা, দেখেই ছুরি নিয়ে তেড়ে গেল মহিলা সিভিক! তারপর

    আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: দুর্গাপুজোর (Durga Puja) আবহে আবারও আলোচনায় কালীঘাট (Kalighat)। আন্দোলন কর্মসূচির পর কলকাতায় (Kolkata) ফিরে পুজো উদ্বোধনে যোগ দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর কালীঘাট মিলন সংঘের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করেন তিনি। এমন সময় এক ভয়ঙ্কর ঘটনার সম্মুখীন হন তার মুখ্যমন্ত্রী। কী ঘটলো তাঁর সঙ্গে? মঙ্গলবার, তৃতীয়ার সন্ধ্যায় কালীঘাট মিলন সংঘের পুজো উদ্বোধন করতে গিয়ে মমতা ব্যানার্জির নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে এক বিরাট অভিযোগ সামনে আসে। তৃণমূলের যৌথ সাধারণ সম্পাদক দোলা সেনের অভিযোগ, তন্নিষ্ঠা সাহা নামে এক তরুণী ছুরি হাতে তৃণমূল নেত্রীর দিকে তেড়ে যান এবং তাঁকে গালিগালাজ করেন। ওই তরুণী এলাকায় সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে পরিচিত এবং তিনি মাদকাসক্ত বলে অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ তাঁকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর কালীঘাট থানার অফিসার ইনচার্জকে ইমেল করে লিখিত অভিযোগ জানান দোলা সেন। অভিযোগপত্রে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৭৩ ধারা অনুযায়ী মামলা রুজু করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ও ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন দোলা সেন। যদিও অভিযোগের সমস্ত দিক এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি, তবে এই ঘটনা ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জেড-প্লাস নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ওই মহিলা তাঁর এত কাছে পৌঁছলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দোলা সেন। আরও পড়ুন: পুজোর আগেই অন্নপূর্ণা যোজনায় হতে চান ‘Under Process’ থেকে ‘Approved’? যা যা খেয়াল রাখবেন প্রাথমিক গোলমাল সামাল দেওয়ার পর কালীঘাট মিলন সংঘের পুজো উদ্বোধন সম্পন্ন হয় বলে জানা গিয়েছে। তবে উদ্বোধনের আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাইয়ের বিষয়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

    ১৫ অক্টোবর থেকে বদলাচ্ছে মিষ্টি বিক্রির নিয়ম, উল্লেখ করতে হবে এক্সপায়ারি ডেট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ মিষ্টি খেতে ভালোবাসেন? তাহলে আজকের এই খবরটি রইল আপনার জন্য। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে মিষ্টির দোকানগুলিকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে। মিষ্টির দোকানের মালিকরা এখন থেকে আর গ্রাহকদের কাছে বাসি বা নষ্ট মিষ্টি বিক্রি করতে পারবেন না। মিষ্টি হাতে পাওয়ার পর গ্রাহকদের সেটির মেয়াদ সম্পর্কে জানানো হবে। ট্রে-তে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা বা সংরক্ষণ করা মিষ্টির উপর মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ (Sweet Expiry Date) উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হবে। ১৫ অক্টোবর থেকে মিষ্টির দোকানগুলিকে মেনে চলতে হবে এই নিয়ম জানা গিয়েছে, এই নতুন নিয়মটি আগামী ১৫ই অক্টোবর থেকে উত্তরপ্রদেশ রাজ্যজুড়ে কার্যকর হবে। এ বিষয়ে সরকার খাদ্য সুরক্ষা ও ঔষধ প্রশাসন বিভাগকে একটি চিঠি দিয়েছে। বিভাগটি এখন খোলা মিষ্টি বিক্রেতা ছোট-বড় উভয় দোকানদারদের নির্দেশিকা জারি করছে। কুশীনগর জেলায় ১৪,৫০০ জন নিবন্ধিত দোকানদার রয়েছেন। এর মধ্যে ৫৪৭টি মিষ্টির দোকান থাকলেও, এর চার গুণেরও বেশি—২,১০০-এর ঊর্ধ্বে—প্রধান শহর ও মোড়গুলোতে দোকান রয়েছে, যেখানে রঙিন মিষ্টি সাজিয়ে রাখা হয়। ক্রেতারা আকর্ষণীয় দেখতে মিষ্টি কিনে বাড়ি নিয়ে যান, কিন্তু সেগুলোর গুণমান এবং নিরাপদ সংরক্ষণকাল সম্পর্কে কিছুই জানতে পারেন না। আরও পড়ুনঃ ভালবাসার টানে রাশিয়া ছেড়ে ভাগলপুরে প্রেমিকের কাছে জুলি, ঝুপড়িতে থাকতেও নেই আপত্তি মিষ্টির মেয়াদ সাধারণত এক দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত হয়, যা এর সংরক্ষণকালের উপর নির্ভর করে। যদিও প্যাকেটজাত মিষ্টিতে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ করা এখন বাধ্যতামূলক, খোলা মিষ্টির ক্ষেত্রে এমন কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নেই। বড় দোকানগুলো প্রায়শই খোলা মিষ্টি বিক্রি করার সময় উৎপাদনের তারিখ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রদান করে না। প্রায়শই দোকানদাররা এই সুযোগ নিয়ে ক্রেতাদের কাছে নিম্নমানের মিষ্টি বিক্রি করে। মিষ্টি তৈরি করার পর বেশিরভাগ দোকানদার সেগুলো ডিসপ্লে ক্যাবিনেটে সাজিয়ে রাখেন, যাতে ক্রেতারা নিজেদের পছন্দের মিষ্টি বেছে নিতে পারেন। কী বলছে প্রশাসন? এই বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছেন কুশীনগরের সহকারী খাদ্য কমিশনার প্রদীপ রায়। তিনি জানিয়েছেন, সরকারের চিঠি পাওয়ার পর খাদ্য নিরাপত্তা ও ঔষধ প্রশাসন বিভাগ দোকানদারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। মিষ্টি বিক্রির সময় তাদের অবশ্যই ক্রেতাদেরকে মিষ্টির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ জানাতে হবে। আগামী ১৫ই অক্টোবর থেকে মিষ্টির গায়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ উল্লেখ করা নিশ্চিত করতে দোকানদারদের সতর্ক করা হচ্ছে। যারা এই নির্দেশ অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আধার কার্ডে থাকবে না বাবা বা স্বামীর নাম, বড় পদক্ষেপ UIDAI-র

    আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: আধার কার্ডে (Aadhaar) আনা হলো বিরাট পরিবর্তন। এতদিন কার্ডে ঠিকানার পাশে বাবা বা স্বামীর নাম উল্লেখ করতে হতো, এবার তাতেই পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (Unique Identification Authority of India বা UIDAI) আধারের ঠিকানা লেখার ক্ষেত্রে ‘Care of’ বা ‘C/O’ বিকল্পটি সরিয়ে দিয়েছে। ফলে এবার নতুন করে ঠিকানা আপডেট করতে হবে। ‘হেড অফ ফ্যামিলি’ (HoF) ভিত্তিক পদ্ধতিতে নতুন ঠিকানা যোগ হবে। কারা এই সুবিধা নিতে পারবেন, কী কী নথি লাগবে এবং বাড়িতে বসেই কীভাবে আবেদন করবেন, তা জেনে নেওয়া জরুরি। আধারে ‘C/O’ বিকল্প সরানোর অর্থ কী? ‘Care of’ বা ‘C/O’ সাধারণত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ঠিকানার সঙ্গে তাঁর বাবা, স্বামী কিংবা অন্য কোনও ব্যক্তির নাম উল্লেখ করতে ব্যবহৃত হত। নতুন নিয়মে ঠিকানার অংশ হিসেবে এই পৃথক বিকল্পটি আর থাকছে না। তবে এর অর্থ এই নয় যে আধারে পরিবারের সদস্যের ঠিকানা ব্যবহার করা যাবে না। সব আগের মতোই থাকবে শুধু কেয়ার অফ বিকল্পটিকে মুছে ফেলা হচ্ছে। আপনার নিজের নামে যদি ঠিকানার প্রমাণ না থাকে, তাহলে পরিবারের যোগ্য সদস্যের সম্মতি নিয়ে তাঁর ঠিকানার ভিত্তিতে আধার আপডেট করতে হবে। এই ব্যবস্থার নাম ‘Head of Family Based Address Update’। কারা পরিবারের মুখ্য ব্যক্তি হতে পারবেন? পরিবারের যে সদস্যের ঠিকানা ব্যবহার করে আবেদনকারী নিজের আধারের ঠিকানা আপডেট করতে চান, তাঁকে হেড অফ ফ্যামিলি বা HoF বলা হয়। এই হেড অফ ফ্যামিলি হতে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যে সমস্ত যোগ্যতাগুলি প্রয়োজন হবে সেগুলি হল, ১. পরিবারের মুখ্য ব্যক্তির বয়স অন্তত ১৮ বছর হতে হবে। ২. আবেদনকারীর সঙ্গে তাঁর নির্ধারিত পারিবারিক সম্পর্ক থাকতে হবে। UIDAI-এর বর্তমান নিয়মে যোগ্য সম্পর্কের মধ্যে বাবা, মা, স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান বা নির্ভরশীল সদস্য এবং ভাই-বোনের মতো নির্দিষ্ট সম্পর্কও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৩. পরিবারের মুখ্য ব্যক্তির সম্মতি ও প্রয়োজনীয় যাচাই প্রক্রিয়া ছাড়া আবেদন সম্পূর্ণ হবে না। ৪. আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যের ঠিকানা ব্যবহার করার জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। নিজের নামে ঠিকানার প্রমাণপত্র না থাকলেও এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আবেদন করা সম্ভব হতে পারে। বাড়িতে বসেই আধারের ঠিকানা আপডেট করবেন কীভাবে? UIDAI-এর মাই আধার পোর্টাল অথবা আধার অ্যাপের মাধ্যমে বাড়িতে বসেই আবেদন সম্ভব। অনলাইনে আবেদন করার ধাপগুলি জেনে নিন, ধাপ ১: সরকারি পোর্টালে প্রবেশ করুন প্রথমে UIDAI-এর সরকারি মাই আধার পোর্টাল myaadhaar.uidai.gov.in খুলুন। চাইলে আধার অ্যাপের মাধ্যমেও আবেদন করতে পারেন। আপনার নির্বাচিত পোর্টালটি সঠিক কি না একবার যাচাই করে নেবেন। ধাপ ২: লগইন করুন নিজের আধার নম্বর দিয়ে লগইন করুন এবং পোর্টালে চাওয়া যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। অনলাইনে লগইন করার জন্য সাধারণত আধারের সঙ্গে নথিভুক্ত মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি (OTP) প্রয়োজন হয়। ধাপ ৩: ঠিকানা আপডেটের বিকল্প বেছে নিন লগইন করার পর ‘Update Address’ অথবা পরিবারের সদস্যের আধার-ভিত্তিক ঠিকানা আপডেটের জন্য নির্দিষ্ট বিকল্পটি খুঁজুন। এরপর ‘Head of Family (HoF) Based Address Update’ বা সমতুল্য বিকল্পটি নির্বাচন করুন। বুঝতে না পারলে নির্দেশিকা অনুসরণ করুন। ধাপ ৪: পরিবারের মুখ্য ব্যক্তির তথ্য দিন যাঁর ঠিকানা ব্যবহার করতে চান, সেই পরিবারের সদস্যের আধার নম্বর দিতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিবরণও নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে জানাতে হতে পারে। তথ্য দেওয়ার সময় আধার নম্বর ও সম্পর্কের বিবরণ সঠিকভাবে লিখুন। ধাপ ৫: প্রয়োজনীয় নথি জমা দিন আবেদনের ক্ষেত্রে সম্পর্কের প্রমাণপত্র বা অন্য কোনও নির্ধারিত নথি চাওয়া হলে তা জমা দিতে হবে। রেশন কার্ড, বিবাহের শংসাপত্র, পাসপোর্ট বা অন্য গ্রহণযোগ্য নথির মাধ্যমে সম্পর্ক প্রমাণ করা যেতে পারে, তবে নথিটি UIDAI-এর বর্তমান গ্রহণযোগ্য তালিকায় রয়েছে কি না, তা আগে দেখে নিন। ধাপ ৬: আবেদন জমা দিয়ে রেফারেন্স নম্বর রাখুন সমস্ত তথ্য যাচাই করে আবেদন জমা দিন। আবেদন জমা পড়লে পাওয়া সার্ভিস রিকোয়েস্ট নম্বর বা SRN সংরক্ষণ করুন। পরবর্তী সময়ে আবেদনের অবস্থা জানতে এই নম্বর কাজে লাগবে। ধাপ ৭: পরিবারের মুখ্য ব্যক্তির অনুমোদন নিন আবেদনের পর পরিবারের মুখ্য ব্যক্তিকে তাঁর সম্মতি দিতে হবে। প্রক্রিয়ার ধরন অনুযায়ী তিনি ওটিপি বা আধার অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন যাচাই ও অনুমোদন করতে পারেন। ধাপ ৮: আবেদনের অবস্থা যাচাই করুন আবেদন জমা দেওয়ার পরই আধারে ঠিকানা পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে বলে ধরে নেবেন না। UIDAI-এর যাচাই ও অনুমোদনের পরেই আবেদন গ্রহণ বা বাতিল হতে পারে। মাই আধার পোর্টালে গিয়ে SRN ব্যবহার করে আবেদনের অবস্থা দেখুন। আপডেট সম্পূর্ণ হলে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধিত ই-আধার ডাউনলোড করতে পারবেন। নিজের নামে ঠিকানার প্রমাণ থাকলে কী করবেন? যাঁদের নিজের নামে বৈধ ঠিকানার প্রমাণপত্র রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে পরিবারের মুখ্য ব্যক্তির অনুমোদন নিয়ে আবেদন করতেই হবে, এমন নয়। তাঁরা UIDAI-এর তালিকাভুক্ত গ্রহণযোগ্য ঠিকানার নথি ব্যবহার করে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে ঠিকানা আপডেটের আবেদন করতে পারেন। আরও পড়ুন: যুবভারতীতে মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা! কবে ম্যাচ? অফলাইনে কি আধারের ঠিকানা আপডেট করা যাবে? অনলাইনে আবেদন করতে অসুবিধা হলে নিকটবর্তী আধার এনরোলমেন্ট বা আপডেট কেন্দ্রে যোগাযোগ করা যেতে পারে। সেখানে প্রয়োজনীয় নথি এবং পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা যাবে। আবেদন করার সময় মূল নথি সঙ্গে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

    পুজোর মাসে যুবশক্তি প্রকল্পের আবেদন নিয়ে আপডেট জানুন

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল বেকারভাতা বা যুবশক্তি (Banglar Yuva Shakti)। রাজ্যে বেকার যুবকদের মাসে মাসে আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথা জানিয়েছিল বিজেপি। রাজ্য বাজেট থেকেও ঘোষণা করা হয়েছিল, অক্টোবর থেকেই এই প্রকল্প শুরু হয়ে যাবে। তবে পুজো চলে এলেও কোনো আপডেট নেই রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প (Government Scheme) নিয়ে। যুবশক্তি প্রকল্প পুজোর আগে চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই | Banglar Yuva Shakti অক্টোবর মাসের ১২ তারিখ হয়ে গেল। চলতি সপ্তাহেই পুজো। কিন্তু, এখনও যুবশক্তি নিয়ে জারি হয়নি কোনও বিজ্ঞপ্তি। সে কারণে সকলের মনে উঠেছে একটাই প্রশ্ন, কবে শুরু হবে এই প্রকল্পের আওতায় আবেদন? যুবসাথী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, ‘আমার যুবক ভাইরা আপনাদের জন্য আমরা আছি, ৩০০০ টাকা করে অক্টোবর মাস থেকে পাবেন গ্রাজুয়েট যুবকরা, আর যারা গ্রাজুয়েট নন তাঁরা ২০০০ টাকা করে পাবেন।’ বেশ কিছুদিন আগেই এই প্রকল্পের জন্য পোর্টাল তৈরি হয়েছে। তবে পোর্টাল থাকলেও আবেদন সংক্রান্ত কোনও আপডেট আপাতত নেই এই প্রকল্পে। তাই বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে রাজ্যের শিক্ষিত বেকারদের একটাই প্রশ্ন, কবে থেকে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে তিন হাজার টাকা? পুজোর আগে যাতে এই প্রকল্পের আওতায় সহায়তা প্রদান শুরু হয় সেই দাবি তুলছে বেকার যুবক-যুবতীরা। শোনা যাচ্ছে, পুজোর পর চালু হবে যুবশক্তির পোর্টাল। যদিও এই নিয়ে কোনো সরকারি আপডেট আপাতত নেই। জানিয়ে রাখি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্নাতক বেকারদের মাসে ৩০০০ টাকা এবং যাঁরা নূন্যতম মাধ্যমিক পাশ কিন্তু স্নাতক নন তাঁদের মাসিক ২০০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছিল সরকার। আরও পড়ুন: পুজোর আগে বুধবার থেকে শুরু হবে বৃষ্টি, কলকাতা নিয়েও পূর্বাভাস জানাল আবহাওয়া দপ্তর রাজ্যের ২১ থেকে ৪৫ বছর বয়সী রাজ্যের যে কোনও যোগ্য, শিক্ষিত ও কর্মহীন যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধা নিতে পারবেন বলে জানানো হয়েছিল বাজেটে। বলা হয়েছিল, আবেদনকারীর বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ হতে হবে। এছাড়া আবেদনকারীকে হতে হবে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা। উপভোক্তার আধারের সাথে লিঙ্ক করা নিজস্ব একটি সচল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। যাঁদের পরিবারে মাসে এক লক্ষ টাকার নীচে আয় তাঁরাই শুধুমাত্র এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।