Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    Long Island City

    -0.79°C

    Stormy
    4.12 km/h
    60%
    0.2h

    Latest

    ৪০% ড্রোন, ৬০% লঞ্চার এখনও অক্ষত, যুদ্ধের পরেও ইরানের সামরিক শক্তি কীভাবে অটুট থাকছে?

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, কয়েক সপ্তাহের লড়াইয়ের পরেও ইরানের কাছে এখনও তার প্রায় ৪০ শতাংশ আক্রমণকারী ড্রোন এবং ৬০ শতাংশেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই শক্তি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজগুলোর জন্য আরও একটি হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ইরানের কাছে এখনও তার যুদ্ধ-পূর্ববর্তী ড্রোনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ রয়েছে। মেরামত ও পুনরুদ্ধারের কাজ সম্পন্ন হলে, দেশটি তার পুরনো ড্রোন মজুদের প্রায় ৭০ শতাংশ ফিরে পেতে পারে, যা তার সক্ষমতা সম্ভাব্যভাবে বাড়িয়ে দেবে। ইরান কীভাবে তার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়িয়েছে? ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিষয়ে বলতে গেলে, যুদ্ধবিরতির সময় ইরানের কাছে প্রায় অর্ধেক উৎক্ষেপক ছিল। পরবর্তীতে, দেশটি সুড়ঙ্গ এবং বাঙ্কারে লুকিয়ে রাখা প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা উদ্ধার করে। এর ফলে এখন তাদের সক্রিয় উৎক্ষেপকের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬০% হয়েছে। রাশিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভও এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কতদিন স্থায়ী হবে তা স্পষ্ট নয়। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত: ইরান তার শক্তি প্রদর্শন করেছে। তিনি হরমুজ প্রণালীকে ইরানের একটি প্রধান কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যদিও কর্মকর্তারা বলছেন যে ইরানের কাছে ঠিক কী পরিমাণ অস্ত্র আছে তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কেবল অনুমান করতে পারে। তা সত্ত্বেও, এ বিষয়ে সবাই একমত যে, ইরান চাইলে সমুদ্রপথ ব্যাহত করার মতো যথেষ্ট ক্ষমতা রাখে। গত বছর হরমুজ প্রণালী কেন বন্ধ করা হয়নি? গত বছরের জুন মাসেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যখন ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায় এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রও তাতে যোগ দেয়। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করতে পারেনি। একজন প্রাক্তন ইসরায়েলি কর্মকর্তার মতে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সে সময় সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন। তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করলে তা আরও সংঘাতের কারণ হতে পারে। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বর্তমান যুদ্ধের একেবারে প্রথম দিনেই আয়াতুল্লাহ খামেনি মৃত্যুবরণ করেন। এটি ইরানকে এই বার্তা দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উদ্দেশ্য আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড়। ঐতিহাসিকভাবে ইরান হরমুজ প্রণালী অবরোধ করার চেষ্টা করে আসছে। ১৯৮০-এর দশকে ইরাকের সঙ্গে যুদ্ধের সময় দেশটি এই এলাকায় স্থলমাইন পেতে রেখেছিল। তবে এই পন্থাটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তাই ইরান এখন আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে নৌযানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কৌশল অবলম্বন করছে।

    ভোটের আগে বড় নির্দেশ! নোটিস ছাড়া বাদ যাবে না একটিও নাম, স্পষ্ট জানাল ট্রাইব্যুনাল

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে হঠাৎ করেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ উঠতেই শুরু হয় বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে ট্রাইবুনাল স্পষ্ট জানিয়ে দিল (Tribunal Orders), কোনও ভোটারের নাম বাদ দিতে গেলে আগে তাঁকে নোটিস দিতে হবে এবং নিজের কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। অর্থাৎ, যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে বেঞ্চ। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কড়া নির্দেশ ট্রাইবুনাল (Tribunal Orders) প্রথম দফার ভোটের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন ও যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইবুনাল (Tribunal Orders)। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, কোনওভাবেই নোটিস ছাড়া ভোটারের নাম বাদ দেওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগে জানাতে হবে এবং তাঁর বক্তব্য শোনার সুযোগ দিতে হবে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইনে জমা পড়া আবেদনগুলির নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে আবেদনকারীর পারিবারিক সংযোগ যেমন বাবা বা মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে দ্রুত সেই মামলার নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিচারপতিরা লগ-ইন করে প্রায় ১০টি করে মামলার নিষ্পত্তি করছেন। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে ‘গ্রহণ’ বা ‘খারিজ’-এর কারণ ২ হাজার ক্যারেক্টারের মধ্যে বিস্তারিতভাবে পোর্টালে লিখে দেওয়া হচ্ছে। সোমবার পর্যন্ত যেসব মামলার নিষ্পত্তি সম্পূর্ণ হবে, তাদের নাম নিয়ে একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। তবে এই তালিকায় আলাদা করে ‘ডিলিটেড’ ভোটারদের নাম প্রকাশ করা হবে না। আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বাড়ি আসবেন? ১৬ স্পেশাল ট্রেন চালু করল রেল, দেখে নিন রুট যাচাই প্রক্রিয়ার সময় বেশ কিছু নথি দেখে বিস্মিত হয়েছেন বিচারপতিরা। দেখা গিয়েছে, তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিলা রয়েছেন। এই বিষয়টি সামনে আসতেই প্রতিটি ক্ষেত্রে নোটিস পাঠানোর বিষয়টিকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও বৈধ ভোটার প্রশাসনিক ভুলে বাদ না পড়েন (Tribunal Orders)।

    ‘ওপরওয়ালার মার’! নন্দীগ্রামে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে নন্দীগ্রামে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এর মধ্যেই তৃণমূলের এক নেতার বাড়িতে হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনা সামনে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কোথা থেকে বিস্ফোরণ, কীভাবে হল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। এই ঘটনায় এবার মুখ খুললেন নন্দীগ্রামের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামর বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)? নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই ঘটনা প্রসঙ্গে কড়া মন্তব্য করেন বলেন, এটা “ওপরওয়ালার মার” এবং দাবি করেন, বাড়িতে বোমা মজুত থাকার কারণেই তা বিস্ফোরিত হয়েছে, যার ফলে নিজের পরিবারেরই ক্ষতি হয়েছে। এখানেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল এবার ভোটে জিততে পারবে না। তাঁর দাবি, হিন্দু-মুসলমান কেউই তৃণমূলকে ভোট দেবে না, তাই আতঙ্ক তৈরি করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নন্দীগ্রামে কম আসা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, তাঁরা যত বেশি এলাকায় আসবেন, ততই ভোটে হার বাড়বে। মেদিনীপুর জেলার আসন নিয়েও বড় দাবি করেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট বলেন, ৩৫টি আসনের একটিতেও তৃণমূল জিততে পারবে না। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ১৫২টি আসনে বিপুল ভোট পেয়ে বিজেপি সরকার গঠনের দিকে এগোবে। কীভাবে ঘটল বিস্ফোরণ? নন্দীগ্রামে তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শামসুল ইসলামের বাড়িতে হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেখান থেকে কয়েকটি তাজা বোমাও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বাড়ি আসবেন? ১৬ স্পেশাল ট্রেন চালু করল রেল, দেখে নিন রুট এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা মজুত রাখা ছিল। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তাঁর পরিবার। তাঁদের দাবি, বাইরে থেকে দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছিল, সেই কারণেই এই বিস্ফোরণ।

    ‘ভণ্ডামি ও কাপুরুষতা’মোদীর ভাষণে তীব্র আক্রমণ মমতার

    মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক তরজা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। গতকাল এই ইস্যুতেই বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Modi-Mamata )। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী দলগুলি আসলে চায় না যে সংসদ ও বিধানসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ুক। বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি দাবি করেন, এই দলটি নারী সংরক্ষণ নিয়ে আন্তরিক নয় এবং বাস্তবে তারা মহিলাদের এগিয়ে আসার পথে বাধা সৃষ্টি করছে। মোদী (Modi-Mamata ) আরও বলেন, বিরোধীরা মুখে নারী ক্ষমতায়নের কথা বললেও কাজে তার প্রতিফলন দেখা যায় না। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয় নতুন বিতর্ক। আজ রাজ্যে এসে একই ইস্যুতে তৃণমূলকে আরও একবার আক্রমণ করেন মোদী। তাঁর মন্তব্য, তৃণমূল সহ বিরোধী দলগুলি ‘মহিলা বিরোধী’ মনোভাব পোষণ করে এবং নারী সংরক্ষণ বিলকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে।তবে মোদীর এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা করেন এবং তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্ট করেন। মমতা তাঁর পোস্টে লেখেন, “এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে প্রধানমন্ত্রী সততার সঙ্গে বিষয়টির সমাধান না করে বিভ্রান্ত করার পথ বেছে নিয়েছেন।” তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার আসল সমস্যার সমাধান না করে রাজনৈতিক প্রচারের পথ বেছে নিচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Modi-Mamata ) আরও বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সবসময়ই নারীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির পক্ষে। তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ এবং রাজ্য বিধানসভা উভয় ক্ষেত্রেই তৃণমূলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে মহিলাদের অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। তাঁর কথায়, “আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, তৃণমূল কংগ্রেস সবসময় নারীদের জন্য রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের পক্ষে থেকেছে।” এখানেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অঙ্কের মাধ্যমে নিজের বক্তব্যকে আরও জোরালো করেন। মমতা জানান, লোকসভায় তৃণমূলের নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে ৩৭.৯ শতাংশই নারী। এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বোঝাতে চান, তৃণমূল শুধুমাত্র কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বাস্তবেও নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে।

    বদলে যাবে ভারতের ভবিষ্যৎ? এই রাজ্যে মিলেছে টন টন সোনার ভান্ডার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতের অতি পরিচিত রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশে প্রথমবারের মতো বৃহৎ বেসরকারি সোনার খনি (Gold Reserve) চালু হতে চলেছে। জানা যাচ্ছে, সে রাজ্যের কুর্নুল জেলার জেনানগিরি প্রকল্পটি আগামী মে মাসেই চালু হয়ে যাবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রকল্পটির দায়িত্বে রয়েছে জিওমাইসোর সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলে যে সোনার খনির হদিশ পাওয়া গিয়েছে তা আগামী দিনে ভারতের সোনার আমদানির উপর নির্ভরতা কমাবে। 400 কোটির বিনিয়োগ দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশের জোনানগিরি প্রকল্পটি কমপক্ষে 598 ভেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পে একেবারে 400 কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বলাই বাহুল্য, এই প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে 13.1 টন সোনার মজুদ নিয়ে শুরু হবে। যদিও পরবর্তীতে এই সোনার মজুদের পরিমাণ বাড়িয়ে 42.5 টন করা হতে পারে। সূত্রের খবর, প্রত্যেক বছর অন্ধ্রপ্রদেশের এই প্রকল্পে সর্বোচ্চ 1,000 কেজি সোনা উৎপাদন করা সম্ভব। অনেকেই মনে করছেন, খুব শীঘ্রই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু এই প্রকল্প নিয়ে রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে বড় কোনও ঘোষণা রাখবেন। যদিও আপাতত এ নিয়ে সে রাজ্যের সরকারের তরফে বিশেষ কিছু জানানো হয়নি। বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, এই সোনার খনি থেকে দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রত্যেক বছর বিপুল পরিমাণ সোনা উত্তোলন করা গেলে আগামী দিনে দেশের সোনা আমদানির উপর নির্ভরতা কিছুটা হলেও কমবে। শুধু তাই নয়, এই প্রকল্পটিতে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থার বিনিয়োগ যেমন বাড়বে তেমনই তৈরি হবে কর্মসংস্থান। সেই সাথে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জল এবং দক্ষতার উন্নয়নে বিশেষ নজর দেবে সরকার। অবশ্যই পড়ুন: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ফুটবল ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা! মাঠে নামবেন মেসিও? প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলর দাবি, মরসুমের কারণে এবং সোনার দামে ব্যাপক উত্থান পতনের জন্য গত মার্চ মাসের শুরুর দিকে সোনার চাহিদা কিছুটা কমেছিল ঠিকই কিন্তু তা সত্ত্বেও বিয়ের মরসুমে গহনা কিনতে ভোলেননি ক্রেতারা। সবচেয়ে বড় কথা, সোনার চাহিদা কিছুটা দুর্বল হলেও সিজনে ব্যাপক হারে সোনা বিক্রি হয়েছে। এর ফলে সংস্থাগুলির রাজস্বের পরিমাণ 32 শতাংশ থেকে বেড়ে 124 শতাংশে পৌঁছেছে।

    রাজীব কুমারের ডিজিপি ভবনে তৃণমূলের বড় ষড়যন্ত্র ফাঁস শুভেন্দুর

    বঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের রাজনৈতিকীকরণ যেন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। (Suvendu Adhikari)মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে ‘ক্যাডারাইজেশন’ বলে যে প্রক্রিয়া চলছে, তা এখন আর লুকিয়ে রাখার মতো নেই বলে অভিযোগ তুলেছেন খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় এই অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা সদস্য ও প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমার এখনও সরকারি ডিজিপি ভবনে বসবাস করছেন এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন শুভেন্দু। এই সরকারি বাংলোকে নাকি ‘রাজনৈতিক কন্ট্রোল রুম’ বানিয়ে ফেলা হয়েছে, যা প্রশাসনিক নিয়মের স্পষ্ট লঙ্ঘন।বিরোধী দলনেতা এই বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পবিত্রতায় সরাসরি আঘাত। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন সিনিয়র আইপিএস অফিসার ভিনীত গোয়েল ও জাভেদ শামিমের মতো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কেন বন্ধ দরজার পিছনে তৃণমূলের একজন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে গোপন বৈঠক করছেন? এর পিছনে কী এজেন্ডা রয়েছে? আরও দেখুনঃ চেন্নাইয়ে বড় ধাক্কা, হ্যামস্ট্রিং চোটে অনিশ্চিত আয়ুষ মাত্রের পরবর্তী ম্যাচ নির্বাচনী হিংসা বা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের পরবর্তী পর্যায় কি পরিকল্পনা করা হচ্ছে?রাজীব কুমার ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজিপি ছিলেন। অবসরের পর তৃণমূল তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী করে। কিন্তু অবসরের পরও তিনি সরকারি বাংলো ছাড়ছেন না এই অভিযোগে বিজেপি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। শুভেন্দু বলেছেন, এটি সমস্ত প্রশাসনিক নিয়ম বিরুদ্ধ। একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি কেন এখনও সরকারি সুবিধা ভোগ করবেন? এতে পুলিশের নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়ছে।বিজেপির দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে পুলিশ বাহিনীকে ধীরে ধীরে দলীয় ক্যাডারে পরিণত করা হয়েছে। সাধারণ পুলিশকর্মী থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ অফিসার অনেকেই নাকি তৃণমূলের প্রতি আনুগত্য দেখাতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পরিবর্তে রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় এই নেক্সাস আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচন কমিশন ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অবিলম্বে রাজীব কুমারকে সরকারি বাংলো থেকে উচ্ছেদ করতে হবে এবং ওই গোপন বৈঠকগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করতে হবে। প্রশাসনকে ‘তৃণমূল কোম্পানি’র খপ্পর থেকে মুক্ত করতে হবে।

    আরএফডিএল কি ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ মঞ্চ? তরুণদের নতুন সুযোগের দিগন্ত

    বিট্টু দত্ত, কলকাতা: ভারতীয় ফুটবলে প্রতিভা গড়ার অন্যতম বড় মঞ্চ হয়ে উঠেছে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন ডেভেলপমেন্ট লিগ, সংক্ষেপে আরএফডিএল। দেশের তরুণ ফুটবলারদের সামনে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ করে দিতে শুরু হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। কয়েক বছরের মধ্যেই এটি ভারতীয় যুব ফুটবলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০২২ সালের ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এই লিগ। মূল লক্ষ্য ছিল ভারত জুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান ফুটবলারদের একত্রিত করে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে তুলে ধরা। সিনিয়র পর্যায়ে ওঠার আগে তরুণদের জন্য যে সঠিক মঞ্চ প্রয়োজন, সেই শূন্যস্থান অনেকটাই পূরণ করেছে আরএফডিএল। এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৬০টিরও বেশি দল অংশ নেয়। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ক্লাবগুলির যুব ও রিজার্ভ দল ছাড়াও অন্যান্য ক্লাবও এই টুর্নামেন্টে সুযোগ পায়। ফলে শুধু বড় শহর নয়, ছোট শহর ও রাজ্যগুলির ফুটবলাররাও নজরে আসার সুযোগ পান।আরএফডিএল তৈরির ভাবনা শুরু হয়েছিল ২০২১ সালের জুন মাসে। ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড এবং আইএসএল ক্লাবগুলির শীর্ষ কর্তাদের বৈঠকে নতুন একটি উন্নয়নমূলক প্রতিযোগিতা চালুর পরিকল্পনা হয়। কোভিড পরবর্তী সময়ে যুব ফুটবলারদের ম্যাচ খেলার সুযোগ অনেকটাই কমে গিয়েছিল। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই লিগ চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথম সংস্করণ গোয়ায় আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। বায়ো-সিকিওর পরিবেশে জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে প্রতিযোগিতা হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা পিছিয়ে এপ্রিল মাসে শুরু হয়। শুরু থেকেই এই টুর্নামেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল ভবিষ্যতের ভারতীয় ফুটবল গড়ার কারখানা হিসেবে। এই লিগে খেলোয়াড় বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে স্পষ্ট নিয়ম। মূলত অনূর্ধ্ব-২১ ফুটবলারদের নিয়েই দল গঠন করতে হয়। তবে ২১ থেকে ২৩ বছর বয়সী পাঁচজন খেলোয়াড়কে স্কোয়াডে রাখার অনুমতি রয়েছে। ম্যাচের প্রথম একাদশে তাঁদের মধ্যে সর্বাধিক তিনজনকে নামানো যায়। নিবন্ধনের সময় ফুটবলারের ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৫ বছর। প্রতিটি দলে সর্বাধিক ২৪ জন ফুটবলার রাখা যায়। বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের অনুমতি নেই, ফলে পুরো মঞ্চটাই ভারতীয় প্রতিভাদের জন্য। এই প্রতিযোগিতা থেকে অনেক তরুণ ফুটবলার পরে সিনিয়র দলে সুযোগ পেয়েছেন। বিভিন্ন আইএসএল ও আই-লিগ ক্লাবের নজরে এসেছেন একাধিক নতুন মুখ। ফলে আরএফডিএল এখন শুধু একটি লিগ নয়, বরং ভারতীয় ফুটবলের প্রতিভা সন্ধানের অন্যতম রাস্তা। সাফল্যের নিরিখে বেঙ্গালুরু এফসি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল দল। তারা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজেদের আধিপত্য প্রমাণ করেছে। বর্তমান চ্যাম্পিয়নও তারাই।ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন নতুন করে ভাবনা চলছে, তখন আরএফডিএল নিঃসন্দেহে আশার আলো দেখাচ্ছে। বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতা যত শক্তিশালী হবে, ততই শক্ত ভিত তৈরি হবে দেশের ফুটবলে। সেই জায়গায় রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন ডেভেলপমেন্ট লিগ ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে শুরু করেছে।

    চেন্নাইয়ে বড় ধাক্কা, হ্যামস্ট্রিং চোটে অনিশ্চিত আয়ুষ মাত্রের পরবর্তী ম্যাচ

    Kolkata, April 19: এই মরসুমটা ভালো যাচ্ছে না চেন্নাই সুপার কিংসের। গত পাঁচটির মধ্যে তিনটি ম্যাচই হেরেছে রুতুরাজের দল। এরই মধ্যে ফের ধাক্কা খেল চেন্নাই শিবির। ধারাবাহিকভাবে ছন্দে থাকা আয়ুষ মাত্রে চোট পেয়েছেন। আগামী ম্যাচে তাঁর খেলার কোনো নিশ্চয়তা নেই। গত ম্যাচে হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে ব্যাট করার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান আয়ুষ। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে তিন নম্বরে ব্যাট করছিলেন ১৮ বছরের আয়ুষ। ব্যাটিং করতে করতে একসময় দৌড়ে দুই রান নিতে যান আয়ুষ। তখন বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে টান ধরে তাঁর। প্রাথমিক শুশ্রূষা নিয়ে ব্যাট করেন এবং ১৩ বলে ৩০ রানের একটি দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেন। তবে অস্বস্তিও ধরা পড়ে তাঁর চোখেমুখে। এই মরসুমে এখনো পর্যন্ত ছয়টি ম্যাচে ২০১ রান করেছেন এই তরুণ ব্যাটার। তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৭৭.৮৭। চেন্নাইয়ের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী এই মাত্রে। তবে তাঁর চোটের পর চিন্তিত হলুদ শিবির। সুস্থ হতে কিছু দিন সময় লাগবে। এমতাবস্থায় আগামী ম্যাচে তিনি ব্যাট হাতে মাঠে নামবেন কি না তা নিশ্চিত নয়। এবিষয়ে ম্যাচ শেষে ব্যাটিং কোচ মাইক হাসি বলেন, ‘‘মাত্রের হ্যামস্ট্রিংয়ে ভাল টান ধরেছিল। চোট কতটা গুরুতর এখনই বলা সম্ভব নয়। স্ক্যান করানোর পর বোঝা যাবে। রবিবার অথবা সোমবার স্ক্যান করানো হবে। প্রাথমিক ভাবে বেশ খারাপই মনে হচ্ছে। খুবই দুর্ভাগ্যজনক। মাত্রে খেলতে না পারলে আমাদের বড় ক্ষতি। খুব ভাল ফর্মে ছিল।’’ মাইক আরও বলেন,‘‘মাত্রে দুর্দান্ত তরুণ প্রতিভা। এখন অন্য কেউ সুযোগ পাবে। এটাও আকর্ষণীয় হবে। আমাদের হাতে কয়েক জন ভাল ক্রিকেটার রয়েছে। তাদের সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। ওদের জন্য একটা সুযোগ তৈরি হল। মাত্রের জন্য খুবই খারাপ লাগছে। জানি না, ওকে কত দিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে। আশা করব, অন্যরা মাত্রের জায়গা নেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বে।’’

    রবিবার ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগে ডাবল ম্যাচ, কখন কোথায় দেখবেন জানুন

    Kolkata, April 19: চলছে ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগ ২০২৫-২৬। রবিবার (১৯ এপ্রিল) রয়েছে দুটি মহারণ। বিকেল ৪টে থেকে মাডগাঁওয়ের ফাতোরদা স্টেডিয়ামে ঘরের মাঠে রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি-কে আতিথ্য দেবে ডেম্পো এসসি। অন্যদিকে শ্রীনগরের টিআরসি স্টেডিয়ামে সন্ধ্যে ৬:৩০ মিনিটে রিয়াল কাশ্মীর এফসি-র বিপক্ষে মাঠে নামবে শ্রীনিদি ডেকান এফসি। এই মুহূর্তে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি। পাশাপাশি ডেম্পো এসসি ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে আছে ষষ্ঠ স্থানে। এই মরসুমে ছন্দ খুঁজে পাচ্ছে না ডেম্পো এসসি। তাই রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিতে ৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে চাইবে গোয়ার এই দলটি। উল্টোদিকে মোটামুটি ভালো জায়গায় রয়েছে শ্রীনিদি ডেকান এফসি। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে বসে। পাশপাশি রিয়াল কাশ্মীর মাত্র ৫ পয়েন্টে টেবিলের তলানিতে। এমতাবস্থায় কাশ্মীরকে তাদেরই ঘরের মাঠে হারানোর সুযোগ ছাড়বে না শ্রীনিদি ডেকান। তাতে পয়েন্ট টেবিলে তাদের স্থান আরও মজবুত হবে। আর শক্তিশালী এই দলকে হারাতে পারলে মান রক্ষা হবে রিয়াল কাশ্মীরের। এটি ডিডি স্পোর্টস-এ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। পাশাপাশি ওয়েভস অ্যাপ, সনি লিভ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটেও লাইভ স্ট্রিম করা হবে। এছাড়া অনুগামীরা যেকোনো সময় এবং যেকোনো জায়গায় তাদের ফোন, ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটে খেলাটি দেখতে পারবেন।