Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    ভারত-আমেরিকার মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে ষড়যন্ত্র করছে চিন? চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের

    2 সপ্তাহ আগে

    A new twist in India-China diplomatic relation.
    A new twist in India-China diplomatic relation.

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: সামনে সৌজন্য, পিছনে ষড়যন্ত্র—ভারতের প্রতি চিনের (India-China) সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আচরণ নিয়ে ফের তীব্র বিতর্ক দানা বাঁধল আন্তর্জাতিক মহলে। লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা থেকে সেনা সরানোর সিদ্ধান্তকে নিছক ‘দেখনদারি’ বলে দাবি করেছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তর। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা পেন্টাগনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, বেজিং এই পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে কৌশলগত দূরত্ব তৈরির লক্ষ্যে। ওই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরেই পাল্টা সুর চড়াল চিন, অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তারা বলেছে, ওয়াশিংটন ইচ্ছাকৃতভাবে আন্তর্জাতিক মহলে চিন-বিরোধী মনোভাব তৈরি করতে চাইছে।

    ভারত-চিন (India-China) সর্ম্পকে নতুন মোড়?

    পেন্টাগনের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, তাইওয়ানের মতোই ভারতের অরুণাচল প্রদেশও চিনের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। লাদাখে সেনা সরালেও চিন একাধিক দিক থেকে ভারতকে চাপে রাখার কৌশল চালিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। বিশেষ করে পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং ইসলামাবাদকে আধুনিক সমরাস্ত্র সরবরাহ করা ভারতের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক বলেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতে, চিন বরাবরই ‘এক পা পিছিয়ে, দু’পা এগোনোর’ নীতিতে চলে এবং লাদাখ ইস্যুতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    A news twist in India-China diplomatic relation.

    আরও পড়ুন:‘চিকেনস নেক’-এর দিকে তাকালেই মিলবে যোগ্য জবাব! ভারতের পদক্ষেপে চমকে গেল বাংলাদেশ

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, লাদাখ থেকে সেনা প্রত্যাহারের মূল উদ্দেশ্য হল ভারতকে আমেরিকা থেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে আনা। বেজিং চাইছে, নয়াদিল্লি যেন চিনকেই ভবিষ্যতের ‘কৌশলগত বিকল্প’ হিসেবে ভাবতে শুরু করে। এই লক্ষ্য পূরণে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েনকে কাজে লাগাতে চাইছে চিন। বিশেষ করে অপারেশন সিঁদুর অভিযানের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংঘর্ষবিরতি সংক্রান্ত দাবিতে ভারত যে অস্বস্তিতে পড়েছিল, তা আন্তর্জাতিক মহলে স্পষ্ট হয়েছিল।

    এর পাশাপাশি ভারত-মার্কিন শুল্কবিতর্কও সম্পর্কের মধ্যে চাপ বাড়িয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের তরফে ভারতের পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ওয়াশিংটনের মতে, এই ‘শৈত্য’ দীর্ঘস্থায়ী করাই চিনের কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে মানানসই। যদিও ভারত বারবার স্পষ্ট করেছে, পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি তৃতীয় কোনও দেশের মধ্যস্থতায় হয়নি এবং দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: সবে ট্রেলার! আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গে শীতের ফুল ‘অ্যাকশন’, আবহাওয়ার আগাম খবর

    তবে পেন্টাগনের এই সব দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে বেজিং। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, “আমেরিকা ইচ্ছাকৃতভাবে চিনের প্রতিরক্ষা নীতি নিয়ে ভুল ভাষ্য ছড়াচ্ছে। নিজেদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতেই তারা চিন সম্পর্কে অনাস্থার বীজ বপন করতে চাইছে।” তাঁর বক্তব্য, এই রিপোর্টের তীব্র বিরোধিতা করছে চিন এবং এমন প্রচেষ্টা দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর।

    Click here to Read More
    Previous Article
    বছর শেষে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য ‘নয়া’ উপহার! বিজ্ঞপ্তি জারি করল অর্থদপ্তর
    Next Article
    ‘চিকেনস নেক’-এর দিকে তাকালেই মিলবে যোগ্য জবাব! ভারতের পদক্ষেপে চমকে গেল বাংলাদেশ

    Related India Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment