Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    SIR মামলায় নাটকীয় মুহূর্ত, বিহারের শুনানিতে উঠল বাংলার হিংসা, দ্রুত শুনানি নাকচ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট

    10 hours ago

    Supreme Court refuses urgent hearing on West Bengal SIR violence issue

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক ফের পৌঁছাল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। বিহারের SIR সংক্রান্ত মামলার শুনানির মধ্যেই বাংলার SIR নিয়ে সাম্প্রতিক হিংসার বিষয়টি একসঙ্গে শোনার আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে শীর্ষ আদালত এই মুহূর্তে সেই আর্জিতে সাড়া দেয়নি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বাংলার SIR সংক্রান্ত মামলা ইতিমধ্যেই শুনানির পর্যায়ে রয়েছে এবং খুব শিগগিরই তা নিয়ে পরবর্তী শুনানি হবে।

    আলাদা করে দ্রুত শুনানির প্রয়োজন নেই, জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    এক আইনজীবী প্রধান বিচারপতির বেঞ্চকে জানান, পশ্চিমবঙ্গে SIR প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে অন্তত ৬টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তাঁর দাবি ছিল, বিহারের এসআইআর মামলার সঙ্গে বাংলার এই হিংসা-সংক্রান্ত বিষয়গুলিও যেন একসঙ্গে শোনা হয়। কিন্তু প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই মুহূর্তে আলাদা করে দ্রুত শুনানির প্রয়োজন নেই। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, কপিল সিব্বলের আবেদনের ভিত্তিতে বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলা ইতিমধ্যেই শোনা হয়েছে এবং নোটিস ইস্যু করা হয়েছে। তিনি জানান, আগামী সোমবার ওই মামলার শুনানি নির্ধারিত রয়েছে। সেই কারণেই এ দিন নতুন করে কোনও নির্দেশ দিতে রাজি হয়নি আদালত।

    উল্লেখ্য, এর আগের দিন সোমবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) পশ্চিমবঙ্গের SIR প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত শুনানি হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। মামলার আবেদনকারী ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন ও দোলা সেন। SIR প্রক্রিয়ার বৈধতা এবং বাস্তবে কীভাবে তা চালানো হচ্ছে, তা নিয়েই তাঁদের আপত্তি ছিল। তৃণমূলের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।

    সেই শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন SIR সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ নিয়মমাফিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করছে না। তাঁর দাবি, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুথ স্তরের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কমিশনের তৈরি তথাকথিত ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সিব্বলের বক্তব্য ছিল, পশ্চিমবঙ্গের বহু ভোটারকে অকারণে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।
    এই মামলায় নির্বাচন কমিশনের তরফে আদালতের কাছে জবাব দেওয়ার জন্য দু’সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়। তবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ কমিশনকে এক সপ্তাহ সময় দেয়। আদালত (Supreme Court) জানিয়ে দেয়, আগামী ১৯ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

    SIR প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আসছে। জনসভা থেকে প্রশাসনিক স্তর, সব জায়গাতেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে পাঁচটি চিঠি পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কখনও তিনি ভোটারদের হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন, কখনও আবার ‘এসআইআর আতঙ্কে’ মৃত্যুর দাবি করেছেন।

    Supreme Court remarks on stray dogs spark controversy

    আরও পড়ুনঃ হকারদের নিয়মে আনতে বড় পদক্ষেপ, চলতি মাসেই শংসাপত্র বিতরণ শুরু করবে কলকাতা পুরসভা

    সোমবার পাঠানো সর্বশেষ চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, অনেক ভোটার প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরেও তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। এমনকি শুনানির সময় নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা লিখিত প্রমাণ দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রয়োজন হলে তিনি সাধারণ মানুষের হয়ে আদালতে সওয়াল করতেও প্রস্তুত। এই বক্তব্যের পরই এসআইআর শুনানিতে ভোটারদের ‘হেনস্থা’র অভিযোগ তুলে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা দায়ের করে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    প্রতীক জৈনের বাড়িতে কী করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী? ছবি দিয়ে সুপ্রিম করতে বড় দাবি ED-র
    Next Article
    রাজধানীর থেকেও দামী! বন্দে ভারত স্লিপারের ভাড়া দেখেই চোখ কপালে যাত্রীদের

    Related West Bengal Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment