Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    বয়কট দূর ছাই, ভারতের সাথে আরামসে চলছে ব্যবসা! জানালেন বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা

    2 hours ago

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এমনিতেই ভারত বিরোধী সুরে উত্তপ্ত গোটা বাংলাদেশ। তারই মাঝে হাদি সমর্থক গোষ্ঠীর একাংশের তরফ থেকে এবার ইউনূস সরকারকে উদ্দেশ্যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট না দেওয়া হয়, এমনকি ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাকও শোনা গিয়েছে বিভিন্ন জায়গায় (Bangladesh on India)। কিন্তু তাদের এই দাবিদাওয়া এবং বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে যে অনেকটাই ফারাক তা স্পষ্ট উঠে আসছে বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সাম্প্রতিক বক্তব্যে। ভারতের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়েও শুধু মুখেই বড় বড় বাতেলা ওপার বাংলার। হ্যাঁ, এমনই জানালে বাংলাদেশ সরকার।

    ভারতের দিকেই তাকাতে বাধ্য ঢাকা

    বশিরউদ্দীনের কথায়, বাস্তব ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য থেকে জ্বালানি, প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভারতের উপর নির্ভর করছে প্রতিবেশী। কয়েকদিন আগে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির জেরে সেই ভারত থেকেই পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়েছিল ওপার বাংলার ইউনূস সরকারকে। আর সেই সিদ্ধান্তে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছিল পেঁয়াজের দামে।

    এদিকে একের পর এক খাদ্যশস্যের যোগান দেওয়ার জন্য ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পড়শী দেশ। আর সবথেকে বড় বিষয়, এই সিদ্ধান্তের এক সপ্তাহের মধ্যে ফের আরও ৫০ হাজার টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় ওপার বাংলার রাজধানী। অর্থাৎ, দুই দফায় ভোট ১ লক্ষ টন চাল ভারত থেকেই কেনার পথে হেঁটেছে ইউনূস প্রশাসন।

    জ্বালানির ক্ষেত্রেও সেই ভরসা ভারত

    এদিকে শুধুমাত্র খাদ্যপণ্য নয়, বরং জ্বালানির ক্ষেত্রেও ভারতের উপর নির্ভরতা যেন দিনের পর দিন আরও বেড়ে যাচ্ছে ইউনূস সরকারের। সম্প্রতি ভারত থেকে ১.৮ লক্ষ টন ডিজেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে পরিবহন এবং শিল্পক্ষেত্রে জ্বালানির চাহিদা মেটানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মত প্রকাশ করছে বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুন: পুরনো ৫০, ১০০ এর নোট বাতিল? নিতে চাইছে না অনেকেই! কী বলছে RBI?

    ফলত, একদিকে যখন ভারতীয় পণ্য বয়কটের দাবি উঠছে, এমনকি ভারতীয়দের কর্মসংস্থানে বাধা দেওয়ার হুমকি শোনা যাচ্ছে, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতি এবং বাজার সম্পূর্ণ অন্য কথা বলছে। এক কথায়, ভারতের উপর নির্ভর করা ছাড়া তাদের পক্ষে যে আর কোনও রাস্তায় খোলা নেই তা বলার অপেক্ষা রাখে না। হ্যাঁ, বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় জন্য ভারতের সঙ্গেই সেই বারবার চুক্তি করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। আর এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক মহলের একাংশ দাবি করছে, ভারতকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতি কার্যত ধামাচাপা পড়ে যাবে। আর ইউনূস সরকারের প্রত্যেকটা সিদ্ধান্তই তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।

    এদিকে এদিন বাণিজ্য সচিব মাহবুর রহমান বলেছেন, দৈনন্দিন ঘটনা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে প্রভাব ফেলে না। ভারতের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে মে মাসে বাংলাদেশ থেকে রফতানি বন্ধ হওয়াতে আমাদের রফতানি অনেকটাই কমেছে। আমরা পাল্টা পদক্ষেপ নিইনি। আমরা পাট রফতানি করার ক্ষেত্রে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা অন্য দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য নেওয়া হয়নি, বরং নীতিগুলি অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে নেওয়া। আমরা সামগ্রিকভাবে উদার বাণিজ্যেই বিশ্বাসী।

    Click here to Read More
    Previous Article
    “পেঁয়াজের সাইজ ছোট হলে মমতা দায়ী”: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article
    বদলে গেল পূর্বাভাস! মঙ্গল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে জমে যাবে আবহাওয়ার নয়া ‘খেলা’…জারি আগাম সতর্কতা

    Related Business Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment