Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    বদলে যাচ্ছে ইতিহাস, মকর সংক্রান্তিতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

    2 hours ago

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আগামী ১৪ জানুয়ারি, দেশ জুড়ে পালন হতে চলেছে মকর সংক্রান্তি। ঘুড়ি উৎসব মেতে উঠতে চলেছে দেশবাসী। আর এই উৎসবের মাঝেই মকর সংক্রান্তির দিন বড় চমক আনতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। জানা গিয়েছে, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এই প্রথমবার অফিস বদল হতে চলেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। আর সেই নতুন অফিসের নাম হতে চলেছে ‘সেবা তীর্থ’। সম্ভবত চলতি মাসের শেষ দিকে থেকেই প্রধানমন্ত্রী নতুন কার্যালয় থেকে তাঁর কাজ শুরু করবেন।

    ঠিকানা বদল প্রধানমন্ত্রীর!

    রিপোর্ট মোতাবেক, প্রধানমন্ত্রীর নতুন কার্যালয়টি হতে চলেছে, রাইসিনা হিলের কাছে। আয়তন ২,২৬,২০৩ বর্গফুট। এটিকে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই চত্বরে তিনটি ভবন রয়েছে। সেবা তীর্থ ১-এ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সেবা তীর্থ ২-এ মন্ত্রিসভা সচিবালয় এবং সেবা তীর্থ ৩-এ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের কার্যালয় রয়েছে। ইতিমধ্যেই একটি নতুন সংসদ ভবন এবং উপরাষ্ট্রপতির বাসভবন সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ। সেবা তীর্থে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য অত্যাধুনিক কক্ষ রয়েছে। সেগুলি প্রযুক্তিগতভাবে সুসজ্জিত করা হয়েছে।

    সেবা তীর্থ নির্মাণে কত খরচ কেন্দ্রের?

    জানা গিয়েছে, ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্য নর্থ ও সাউথ ব্লকে এখন একটি বিশাল জাদুঘর তৈরি করা হবে, যা ৫,০০০ বছরের পুরনো ভারতীয় সভ্যতাকে তুলে ধরবে। এই জাদুঘরের প্রথম পর্ব আগামী বছরের শুরুতে উদ্বোধন করা হতে পারে। এই গোটা সেবা তীর্থ প্রাঙ্গণ নির্মাণ করছে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো সংস্থা। এতে খরচ হয়েছে প্রায় ১,১৮৯ কোটি টাকা। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে ‘এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ’ বলা হবে বলে ঠিক ছিল। কিন্তু সরকারি সূত্র পরে জানায় যে, এর নামকরণ করা হবে ‘সেবা তীর্থ’।

    আরও পড়ুন: স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পেল কলকাতা হাইকোর্ট, চিনে নিন জাস্টিস সুজয় পালকে

    প্রসঙ্গত, PMO অফিস বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের স্থানান্তরের মাধ্যমে একটি যুগের অবসান ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ১৯৪৭ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ছিল সাউথ ব্লকে। স্বাধীনতার ৭৮ বছর পর সেই জায়গা পরিবর্তন হতে চলেছে। অন্যদিকে সরকারি প্রশাসনকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে বিভিন্ন মন্ত্রকের অফিস এক জায়গায় আনতে কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ভবন তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি ভবন হল ‘কর্তব্য ভবন’।

    Click here to Read More
    Previous Article
    খুঁজে খুঁজে শত্রু ট্যাঙ্ক ধ্বংস করবে তৃতীয় প্রজন্মের মিসাইল! সফল পরীক্ষা DRDO-র
    Next Article
    পঞ্জাবে খুনের পর কলকাতায় এসে আত্মগোপন, হাওড়া স্টেশন থেকে গ্রেফতার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের ৩ সদস্য

    Related India Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment