Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    ‘মুরগি-খাসির কি প্রাণ নেই?’-পথকুকুরের জন্য ‘দরদ’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিরাট মন্তব্য

    5 দিন আগে

    Supreme Court remarks on stray dogs spark controversy

    বাংলা হান্ট ডেস্ক:  পথ কুকুরদের সরিয়ে ফেলার সুপ্রিম নির্দেশে গত বছর গোটা দেশ তোলপাড় হয়। এই নিয়ে নানান বিতর্কও হয় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। তবে এবার সেই বিচারের মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দিনের শুনানি ঘিরে উঠেছে তীব্র বিতর্ক। এই কেসের তিন বিচারপতির বেঞ্চ যথা—বিক্রম নাথ, সন্দীপ মেহতা ও এন ভি অঞ্জারিয়া—রাস্তা, স্কুল ও সরকারি স্থানে ঘুরে বেড়ানো পথকুকুরদের নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই প্রসঙ্গে, বেঞ্চ বলেছেন, কোন কুকুর কখন কামড়াবে—তা কেউ জানে না। তাই প্রতিরোধই চিকিৎসার চেয়ে ভালো। তাছাড়া রাস্তা, প্রতিষ্ঠান কুকুর মুক্ত রাখতে হবে।

    পথকুকুর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্যে বিতর্ক (Supreme Court)

    এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সিনিয়র অ্যাডভোকেট কপিল সিবাল জানান, ‘আমরা এখানে কুকুরপ্রেমী এবং পরিবেশপ্রেমী হিসেবে এসেছি। তবে মানুষের সঙ্গে কুকুরের নিরাপত্তার ভারসাম্য রাখা জরুরি। তিনি বলেন, আমি নিজে মুরগি খাই না, কারণ তাদের অত্যন্ত নির্মমভাবে বন্দি করা হয়।

    Supreme Court remarks on stray dogs spark controversy

    আরও পড়ুন: স্বাদ আর প্রোটিনে ভরপুর, পালং শাক ও সোয়াবিন দিয়ে বানান সুস্বাদু এই রেসিপিটি

    এছাড়াও, এই বিষয়ে প্রাণী কল্যাণ সংস্থার পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট কলিন গন্সালভস বলেন, কুকুর কামড়ের তথ্য ‘প্রকৃত সংখ্যা থেকে ৫–৭ গুণ বেশি’ হিসেবে গণনা করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করেন, হঠাৎ করে কুকুর ধরার সিদ্ধান্ত ‘ভয়ানক ও অপরিবর্তনীয় ফলাফল’ ডেকে আনতে পারে।

    তাই তিনি আদালতে জানান, আমাদের আদেশ কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও সরকারি স্থানের জন্য সীমাবদ্ধ। রাস্তায় নয়। তাই  স্কুল বা হাসপাতালে কুকুর থাকার প্রয়োজনীয়তা কী? সেগুলোকে সরানো কি সমস্যা।

    এই প্রশ্নের উত্তর সিনিয়র আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, কোনও কুকুর যদি আক্রমণাত্মক হয় ব তাহলে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ফোন করে তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্বীজন করে আবার আগের জায়গায় ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। তবে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশনা অনুযায়ী-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, রেলস্টেশন ও সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কুকুরদের সরিয়ে নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠাতে হবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ট্রাম্পের নয়া চালে কাবু বাংলাদেশ!
    Next Article
    বালুরঘাটে পরিযায়ী গৌতম, অসিতের সঙ্গে সাক্ষাতে সুকান্তকে কটাক্ষ অভিষেকের , পাল্টা কটাক্ষ সুকান্তর

    Related India Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment