Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    ভারতের শাকসগাম উপত্যকা নিজেদের বলে দাবি চিনের, কাশ্মীর নিয়ে দুই দেশের বাকবিতণ্ডা

    2 hours ago

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: শাকসগাম উপত্যকা নিয়ে ভারত এবং চিনের মধ্যে নয়া মোড়। ভারতের আপত্তির পরও ওই অঞ্চলের উপর নিজেদের জুলুম খাটাতে চাইছে চিন (China on Shaksgam Valley)। বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, শাকসগাম উপত্যকা তাদের ভূখণ্ড এবং সেখানে পরিকাঠামাগত উন্নয়নের কাজ সম্পূর্ণভাবে বৈধ। গত শুক্রবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এই উপত্যকায় চিনের পরিকাঠামো নির্মাণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ভারতের বক্তব্য, এই অঞ্চল ভারতেরই অংশ এবং নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার ভারতেরই।

    ভারতের তরফ থেকে কী বলা হল?

    এদিন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সয়াল স্পষ্ট বলেছেন, শাকসগাম উপত্যকা ভারতেরই ভূখণ্ড। ১৯৬৩ সালে চিন এবং পাকিস্তানের মধ্যে যে সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, ভারত কখনও তা স্বীকৃতি দেয়নি। ওই চুক্তি সম্পূর্ণ অবৈধ এবং অকার্যকর। এমনকি তিনি আরও জানিয়েছেন, পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্য দিয়েই পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর গিয়েছে, যা ভারত কোনওভাবেই মানে না। জম্মু কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। এমনকি পাকিস্তান এবং চিনকে এ কথা বারবার জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃ দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় হাড় কাঁপানো শীত, পারদ নামবে ৬-এ! আজকের আবহাওয়া

    পাল্টা দাবি চিনের

    এদিকে ভারতের মন্তব্যের পাল্টা জবাবে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, আপনি যে ভূখণ্ডের কথা বলছেন তা চিনেরই অন্তর্গত। নিজের ভূখণ্ড পরিকাঠামো নির্মাণ করা সম্পূর্ণ চিনের অধিকার। ১৯৬০ এর দশকে চিন এবং পাকিস্তান একটি সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল এবং দুই দেশের মধ্যে সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়। সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে সেই চুক্তি অধিকারের অধিকার শুধুমাত্র চিন এবং পাকিস্তানের।

    আরও পড়ুনঃ সোনা, রুপোর দামে বড় পরিবর্তন! কমল না বাড়ল? আজকের রেট

    এদিকে ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও চিন বারবার দাবি করছে যে, চিন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর একটি সহযোগিতামূলক প্রকল্প, যার উদ্দেশ্য স্থানীয় আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানকে উন্নত করা। তবে মাও মিং বলেছেন, চিন পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি বা চিন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর কাশ্মীর ইস্যুতে চিনের অবস্থানকে কোনওভাবেই প্রভাবিত করবে না। চিনের মতে, কাশ্মীর সমস্যা ইতিহাস থেকে আসা একটি বিরোধ। আর এটি জাতিসংঘের সনদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব অনুযায়ী শান্তিপূর্ণভাবেই সমাধান হওয়া উচিত।

    Click here to Read More
    Previous Article
    TET নেই এমন শিক্ষকের তালিকাই নেই! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বড় সমস্যায় রাজ্যের উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষা
    Next Article
    মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ টুটু বোসকে সপরিবারে SIR-র শুনানিতে ডাক, গর্জে উঠলেন কুণাল

    Related India Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment