Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    পেনশন-গ্র্যাচুয়িটির নিয়মে বিরাট পরিবর্তন আনছে রাজ্য, লাভ হবে না ক্ষতি? ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা

    5 দিন আগে

    Pension Rules Change Sparks Protest in State Universities
    Pension Rules Change Sparks Protest in State Universities

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অধ্যাপক, অফিসার ও শিক্ষাকর্মীদের অবসরকালীন সুবিধা নিয়ে বড়সড় পরিবর্তনের পথে রাজ্য সরকার। পেনশন (Pension) ও গ্র্যাচুয়িটির নতুন নিয়মে অসন্তোষ ছড়িয়েছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই সিদ্ধান্তকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকারে সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে দাবি করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষক সংগঠনগুলি।

    পেনশন (Pension) ও গ্র্যাচুয়িটির নিয়মে কী বদল?

    রাজ্য সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর ও তার পরে যাঁরা অবসর নেবেন এবং যাঁরা জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (GPF) প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন, তাঁরা আর পুরো অবসরকালীন সুবিধা একসঙ্গে পাবেন না। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানা গিয়েছে –

    • অবসরপ্রাপ্তরা আপাতত ১০০ শতাংশ পেনশন পেলেও তা হবে প্রভিশনাল বা শর্তসাপেক্ষে
    • গ্র্যাচুয়িটির মাত্র ৭৫ শতাংশ টাকা দেওয়া হবে, সেটিও অস্থায়ী ভিত্তিতে
    • পেনশনের এককালীন অংশ (Commutation) পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত স্থগিত থাকবে

    শিক্ষক সংগঠনগুলির তীব্র আপত্তি

    এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে যাদবপুর, কলকাতা, বর্ধমান, রবীন্দ্রভারতী-সহ রাজ্যের ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পার্থ প্রতিম রায় বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী। অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের। সরকার এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে আমাদের বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে।”

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সদস্য শাঙ্খ্যায়ন চৌধুরীও একই সুরে সুর মিলিয়ে বলেন, “এতদিন এই সব নিয়ম বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে ছিল। এখন সরকার সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকারে হস্তক্ষেপ করছে। বারবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।” শিক্ষক সংগঠনগুলির স্পষ্ট দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার রক্ষা করতে হলে এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। তা না হলে সংগঠিত আন্দোলনের পথেই হাঁটবেন তাঁরা, এমনই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন থেকে।

    Pension Rules Change Sparks Protest in State Universities

    আরও পড়ুনঃ SIR নিয়ে কমিশনের কড়া সিদ্ধান্ত, মমতার আপত্তি উড়িয়ে বাতিল ফ্যামিলি রেজিস্ট্রার সার্টিফিকেট

    স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ নিয়েও ক্ষোভ

    এই সাংবাদিক সম্মেলন থেকেই আরও একটি বড় দাবি তোলা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ হলেও, এখনও ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনি জটিলতার কারণে নিয়োগ থমকে রয়েছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি ভাস্কর গোস্বামী বলেন, “স্থায়ী উপাচার্য না থাকায় প্রশাসনিক কাজ থেকে শুরু করে পঠন-পাঠন, সব কিছুই কার্যত থমকে রয়েছে।” শিক্ষক সংগঠনগুলির দাবি, কার দোষ বা গুণ না দেখে অবিলম্বে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    “বিশ্বকাপ খেলতে হলে ভারতেই আসতে হবে, নয়তো কঠিন শাস্তি!” বাংলাদেশকে জানাল ICC
    Next Article
    দুটি মিলিয়ে একটি, SBI-র পর দেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাঙ্ক তৈরির পথে সরকার

    Related West Bengal Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment