Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    পাকিস্তান সহ একাধিক দেশে টাকা বিলানো চিন নিজে কতটা ঋণে?

    3 days ago

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত চিনের আর্থিক ভিত যে এখন চাপের মুখে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাইরে থেকে ঝকঝকে উন্নয়ন দেখলেও ভেতরে ভিতরে চিনের অর্থনীতিতে (Economy of China) এখন কালো মেঘ। অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা, ক্রেতার অভাব আর লাগামছাড়া ঋণের জেড়ে এখন টালমাটাল অবস্থা দেশটির অর্থনীতির।

    জিনিসপত্রের দামে বিরাট পতন

    সম্প্রতি ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চিনে প্রায় ৭০ টির বেশি দৈনন্দিন ব্যবহারিক পণ্যের দাম ভোক্তা মূল্য সূচকের তুলনায় অনেকটাই দ্রুত হারে তলানিতে থেকেছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দামে এখন সবথেকে বেশি পতন ঘটেছে। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনে উৎপাদন এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে পণ্যগুলি কেনার পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্রেতা নেই। ফলে মানুষকে বেশি করে কেনাকাটায় উৎসাহিত করার জন্যই সরকার বাধ্য হয়ে জিনিসপত্রের দাম কমাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ৪০ লক্ষ মহিলা পাবেন ১০,০০০ করে টাকা! নতুন প্রকল্প ঘোষণা রাজ্য সরকারের

    জিনপিং সরকারের দাবি অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতি এখন ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ, এর পিছনে রয়েছে বিশাল ঋণের পাহাড়। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে চিনের মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে মোটামুটি ১৮.৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার, আর অন্যদিকে চিনের বিদেশী ঋণ বর্তমানে প্রায় ২.৩৭ থেকে ২.৪৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। সবথেকে বড় আশঙ্কার বিষয় হলো চিনের দেশীয় ঋণ। বিশেষ করে বেসামরিক খাতে ঋণের পরিমাণ দিনের পর দিন বাড়ছে। ২০০৭ থেকে ২০০৯ সালের বিশ্বব্যাপী আর্থিক মন্দার পর থেকে ঋণের গতি আরও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় শীতল দিন, পড়বে রেকর্ড ঠান্ডা! আজকের আবহাওয়া

    বেশ কয়েকটি মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী দাবি, ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে চিনের ফাইন্যানশিয়াল প্রাইভেট সেক্টরের ঋণ জিডিপির ১০৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৮৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এমনকি ২০২৫ সালে চিনের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ২০২৫ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আর বর্তমানে এই ঋণের বোঝা চিনের জিডিপির তুলনায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এদিকে আরও এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ সালে চিনের মাথাপিছু জিডিপি বেড়ে দাঁড়িয়েছ ১৩,৮০০ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ, ১৯৬০ এর দশকে যেখানে চিনের মাথাপিছু আয় ছিল ১০০ ডলারের কম, সেখানে আজ তা ১৩,৮০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। যদিও সবটাই রফতানি নির্ভর। তবে অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, দাম পড়া, চাহিদার অভাব আর ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপে দেশের অর্থনীতি আগামী দিনে আরও বড় সংকটের মুখে পড়তে পারে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ৪০ লক্ষ মহিলা পাবেন ১০,০০০ করে টাকা! নতুন প্রকল্প ঘোষণা রাজ্য সরকারের
    Next Article
    রাজ্যপালকে খুনের হুমকি! ‘Will Blast Him’ মেইলে রাজভবনে আতঙ্ক! খবর গেল অমিত শাহর কাছে

    Related International Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment