Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    লবণ বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয়! বিদেশেও পৌঁছেছে প্রোডাক্ট, চমকে দেবে শশীর সাফল্যের কাহিনি

    2 দিন আগে

    Shashi Bahuguna's Success Story will amaze you.
    Shashi Bahuguna's Success Story will amaze you.

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: লবণ বিক্রি করে সাফল্যের (Success Story) শিখরে পৌঁছে নজির গড়লেন শশী। লবণ বললেই সাধারণত সাদা, মিহি গুঁড়োর কথাই মনে পড়ে। কিন্তু হিমালয়ের কোলে থাকা উত্তরাখণ্ডের তেহরি গাড়োয়াল জেলায় লবণের একেবারে ভিন্ন স্বাদ ও পরিচয় তুলে ধরেছেন শশী বহুগুণা রাতুরি। পাহাড়ি ঐতিহ্য ও ঘরোয়া রান্নার অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে তিনি তৈরি করেছেন ‘নামকওয়ালি’ ব্র্যান্ড, যার বিশেষ হিমালয় লবণ আজ শুধু ভারতের বিভিন্ন প্রান্তেই নয়, বিদেশের বাজারেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই ব্র্যান্ডের অন্যতম প্রধান পণ্য ‘পিস্যু লুন’ এখন স্বাদপ্রেমীদের মধ্যে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।

    শশী বহুগুণার সাফল্যের কাহিনি (Success Story):

    পাহাড়ি খাবার ও স্থানীয় উপকরণের প্রতি বরাবরই আগ্রহী ছিলেন শশী বহুগুণা। ২০১৮ সালে, প্রায় ৫৮ বছর বয়সে, ছেলের সহায়তায় তিনি এই উদ্যোগ শুরু করেন। শশীর ছোট ছেলে শুভেন্দু জানান, পাহাড়ি এলাকায় বহু মহিলা আগে থেকেই পাথরের পেষাইয়ে লবণ ও মশলা পিষে বিনামূল্যে তা মানুষের মধ্যে বিতরণ করতেন। তাঁদের ‘নামকওয়ালি’ বলা হত। সেই পরিচয়কেই ব্র্যান্ডে রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাহাড়ি মহিলাদের রান্নাঘরের পেষাইই হয়ে ওঠে তাঁদের কাজের প্রধান হাতিয়ার, আর সেই কাজের মধ্য দিয়েই নতুন পরিচয় পান তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ভারতে ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি করতে প্রস্তুত আমেরিকা! তবে, ট্রাম্প প্রশাসন রাখল বিশেষ শর্ত

    ২০১৮ সালেই শুভেন্দু ‘নামকওয়ালি’ নামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পেজ তৈরি করেন। সেখান থেকেই অর্ডার আসতে শুরু করে। ধীরে ধীরে ২০২০ সালে চালু হয় নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং অ্যামাজনের মাধ্যমে বিক্রি। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে প্রচারের ফলে ব্র্যান্ডের পরিচিতি দ্রুত বাড়ে এবং অচিরেই বিদেশ থেকেও অর্ডার আসতে শুরু করে। পাহাড়ি স্বাদের এই লবণ আন্তর্জাতিক বাজারেও আলাদা কদর পেতে শুরু করে।

    ‘পিস্যু লুন’ মূলত তেহরি গাড়োয়াল ও আশেপাশের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে সংগৃহীত লবণ দিয়ে তৈরি। এটি হজমের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয় এবং বিশেষ করে অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। এই লবণের সঙ্গে পুদিনা, ধনে, হলুদ, আদা, রসুন ও মরিচের মতো তাজা ভেষজ ও মশলা মেশানো হয়, যা পাথরের পেষাইয়ে হাতে পিষে নেওয়া হয়। শশী বহুগুণা জানান, এই সব উপকরণ হিমালয়ের উঁচু এলাকা থেকে হাতে বেছে সংগ্রহ করা হয় এবং পণ্যগুলি সম্পূর্ণ জৈব ও পুষ্টিকর।

    Shashi Bahuguna's Success Story will amaze you.

    আরও পড়ুন: চিতল নয় এবার চিংড়ি দিয়ে মুইঠ্যা বানিয়ে ফেলুন সহজ পদ্ধতিতে, প্রণালী দেখে নিন

    নামকওয়ালি ব্র্যান্ডে বর্তমানে শুধু পিস্যু লুন নয়, পাহাড়ি মধু, হলুদ, গরুর ঘি, চাটনি গুঁড়ো ও ডালের মতো ২০টিরও বেশি পণ্য রয়েছে। ডাইরেক্ট-টু-কনজিউমার মডেলের উপর ভিত্তি করে চলা এই ব্যবসার প্রায় ৭০ শতাংশ বিক্রি হয় নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে, বাকি অংশ অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টে। মাত্র ১.৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ ও তিনজন মহিলা কর্মী নিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ আজ বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার টার্নওভারে পৌঁছেছে, লাভের মার্জিন প্রায় ১৭ শতাংশ। গত বছর শশী বহুগুণা ‘শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়া’-তেও হাজির হয়ে নিজের সাফল্যের গল্প দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন।

    Click here to Read More
    Previous Article
    আইপ্যাক-কাণ্ডে নয়া মোড়! ইডিকে টেক্কা দিতে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল রাজ্য সরকারের
    Next Article
    তৃণমূলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম হলে দায় দলের নয়—হিং মোটর ধ*র্ষ*ণ কাণ্ডে মন্তব্য প্রিয়াঙ্কা অধিকারীর

    Related Others Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment