Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    খরচ করেছেন মাত্র ২০ লক্ষ, বহরমপুরে একটি কাজও সম্পন্ন করেননি ইউসুফ পাঠান

    5 days ago

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হয়েও নিজের লোকসভা কেন্দ্রের মানুষের কাছে প্রায় অপরিচিত তিনি। হ্যাঁ, আমরা বলছি ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অলরাউন্ডার ইউসুফ পাঠানের (Yusuf Pathan) কথা। প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বর্তমান টিএমসি সাংসদ ইউসুফ পাঠানকে নিয়ে এখন বিভিন্ন রকম অভিযোগ। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, প্রয়োজন পড়লে তিনি দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই জন্মস্থানে কাটান। এমনকি তাঁর জমানায় কোনও উন্নয়ন নেই বললেই চলে।

    এলাকায় সাংসদের উপস্থিতি নিয়েই ক্ষোভ

    সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক মহলের একাংশ ইউসুফ পাঠানকে আউটসাইট সাংসদ বলেই দাবি করছে। কারণ অভিযোগ উঠছে, তাঁর সঙ্গে তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের কোনও রকম যোগাযোগ নেই। এমনকি স্থানীয় সমস্যার খোঁজখবর নেন না বললেই চলে। আর উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে সরাসরি তাঁর কোনও অংশগ্রহণ চোখে পড়ে না। ফলত সাধারণ মানুষ এবার তাঁকে নিয়ে রাজনৈতিক জলঘোলা করতে ছাড়ছে না।

    আরও পড়ুন: সবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৪৬,৭১৫ টাকা করে দিচ্ছে সরকার? কারা পাবে? জানুন

    এদিকে সবথেকে বড় প্রশ্ন হল সাংসদ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহারের তথ্য নিয়ে। সরকারের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউসুফ পাঠানোর জন্য মোট বরাদ্দকৃত অর্থ হলো ৯.৮ কোটি টাকা। তবে বাস্তবে তিনি একটিও প্রকল্প সম্পন্ন করতে পারেননি। অথচ খরচে দেখানো হয়েছে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। এই তথ্য সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠছে, কাজ না হলে টাকা খরচ কীভাবে হল? এমনকি কোন খাতে এই অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে সেই সংক্রান্ত হিসেবও চাওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শৈত্যপ্রবাহ দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলায়, আরও বাড়বে শীতের দাপট! আগামীকালের আবহাওয়া

    বলে রাখি, ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন ইউসুফ পাঠান। কংগ্রেসের সাংসদ অধীর চৌধুরীকে পরাজিত করে তিনি টিএমসির মালা পড়েন। আর ওই সময় তাঁর বিরুদ্ধে আবার দখলের অভিযোগও আনে গুজরাটের বরোদার বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর। এমনকি তাঁকে নোটিশও পাঠিয়েছিল পৌরসভা। তবে বাংলার সংসদ হওয়া সত্ত্বেও তিনি বেশিরভাগ সময়ই বসতবাড়িতে কাটান। এমনকি সাংসদের হিসেবে কাজে তাঁর পরিচিতি একেবারে যে লবডঙ্কা তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ভাঙ্গরকে অশান্তির আগুনে ঠেলে দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস—বিস্ফোরক নওশাদ সিদ্দিকীর
    Next Article
    OnePlus-Redmi-Oppo! জানুয়ারিতে বাজারে ঝড় তুলতে আসছে একের পর এক দুর্ধর্ষ স্মার্টফোন

    Related politics Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment