Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    Banglahunt Exclusive: ইউনূস-হাসিনা দেশের কথা ভাবেননি, বাংলাদেশে কেন বাড়ল হিন্দুবিদ্বেষীদের সংখ্যা? বাংলাহান্টকে জানালেন তসলিমা

    1 week ago

    What did Taslima Nasrin say about the current situation in Bangladesh?
    What did Taslima Nasrin say about the current situation in Bangladesh?

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত অত্যাচারের পরিপ্রেক্ষিতে বারংবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, সেখানকার পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ উঠেছে যে, সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রাণহানিও ঘটছে। এমতাবস্থায়, প্রভাবিত হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কও। এই আবহে বাংলাহান্টের প্রতিনিধি শোভন চক্রবর্তীকে ফোন মারফত নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন বিশিষ্ট লেখিকা তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)।

    কী জানিয়েছেন তসলিমা (Taslima Nasrin):

    তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এখন রীতিমতো একটা যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। যেটা আদৌ হওয়া উচিত নয়। তাঁর মতে, ‘কিছু জেহাদি, কিছু ধর্মান্ধ-মৌলবাদী-হিন্দুবিদ্বেষী বাড়িঘর-জমিজমার লোভে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করে।’ তসলিমা জানিয়েছেন, মৌলবাদী-ধর্ম ব্যবসায়ীরা ঘৃণা ছড়িয়েছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, সাধারণ মানুষের মগজধোলাই করায় তাঁরাও এখন হিন্দুদের ঘৃণা করছেন। যার ফলে হিন্দুদের ওপর হামলা চলছে এবং প্রাণহানি ঘটছে। তবে, তসলিমা এটাও জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সব মানুষ জিহাদি নন। বরং, সেখানে সাহিত্য-সংস্কৃতি ভালোবাসেন এমন মানুষ এবং মুক্ত মনের মানুষও রয়েছেন। এমতাবস্থায়, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে যে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আছে সেটা বজায় রাখার প্রয়োজন। এমনটা না হলে মৌলবাদী শক্তি আরও বেশি জোর পাবে বলে মনে করেছেন তিনি।

    What did Taslima Nasrin say about the current situation in Bangladesh?

    এছাড়াও, ক্রিকেটের দুনিয়ায় খেলোয়াড়দের প্রসঙ্গে যে ‘দূরত্ব’ তৈরি হচ্ছে সেই প্রসঙ্গে তসলিমা জানান, এখানে সামগ্রিক বিষয়টা হিন্দু-মুসলমানের নয়। বরং, খেলোয়াড়কে খেলোয়াড় হিসেবেই দেখা উচিত। ধর্ম-জাত-বর্ণ-লিঙ্গ সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাঁর মতে, দুই দেশের যোগাযোগ এমন ভাবে বজায় রাখতে হবে যাতে মৌলবাদীরা কখনোই কোনও সুযোগ নিতে না পারে। তসলিমা আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশে চলা হিন্দুদের ওপর আক্রমণের প্রতিবাদ সেই দেশের মুক্ত মানসিকতার মানুষরা করছেন। তাঁর মতে, ‘বাংলাদেশের সবাই হিন্দুবিদ্বেষী কিংবা ভারতবিদ্বেষী নন। অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ বজায় রেখে যাতে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায় সেই লক্ষ্যেই আমরা যারা প্রগতিশীল মানুষ রয়েছি, তারা ক্রমাগত অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি।’

    আরও পড়ুন: ভারত-নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ODI-T20 সিরিজ, জানুন পুরো স্কোয়াড-শিডিউল, কোথায় দেখবেন লাইভ ম্যাচ?

    এদিকে, বাংলাদেশে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের বিষয়েও নিজের মনোভাব ব্যক্ত করেছেন লেখিকা। তিনি জানিয়েছেন, ‘নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরেই সমগ্র চিত্রটা বোঝা যাবে। আমরা চাইছি ধর্মনিরপেক্ষতা, নারী-পুরুষের সমান অধিকার, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং সবার যেন নিরাপত্তা থাকে। ধর্মীয় রাজনীতি এলে সেখানে নিরাপত্তা থাকবে না। সেই জন্য আমরা ধর্মকে দূরে রাখতে চাইছি। ধর্মীয় আইন বলতে যেন কিছু না থাকে। রাষ্ট্র এবং ধর্মকে দূরে রাখতে হবে। সমস্ত বৈষম্য দূর হলেই বুঝতে হবে দেশটা সভ্যতার দিকে এগোচ্ছে।’

    আরও পড়ুন: BCCI-এর নির্দেশে বাদ পড়েছেন KKR থেকে! এবার মুখ খুললেন মুস্তাফিজুর, স্পষ্ট জানালেন…

    তিনি বাংলাদেশের পূর্বের এবং বর্তমানের শাসক অর্থাৎ শেখ হাসিনা এবং ইউনূস সরকারের সমালোচনাও করেছেন। তসলিমা জানিয়েছেন, ‘আগের শাসকরা যেভাবে ধর্মকে ব্যবহার করেছেন, আইন এবং সংবিধানের ভেতরে ধর্ম এনে দেশটাকে যেভাবে ধ্বংস করেছেন, আগামী নির্বাচনেও নির্বাচিতরা যদি সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করে তাহলে জিহাদিরাও বৃদ্ধি পাবে মসজিদ-মাদ্রাসায়।’ তসলিমার মতে, “মোহাম্মদ ইউনূসের আমলে বাংলাদেশের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়েছে। তবে, শেখ হাসিনাও কিন্তু ভালো কাজ করেননি। তিনিও মসজিদ-মাদ্রাসা গড়ে তুলেছেন, জিহাদিদের সমর্থন করেছেন। মাদ্রাসার ডিগ্রিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমমানের করেছেন। ক্ষমতায় অনন্তকাল টিকে থেকেই তিনি এইসব কাজ করেছেন। দেশ যে ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে এবং দেশে যে জিহাদিদের উৎপাদন বাড়ছে সেদিকে তাঁর কোনও ভ্রুক্ষেপ ছিল না। কেউই এখনও পর্যন্ত দেশের কথা ভাবেননি।’ এমতাবস্থায়, আগামী দিনে কোনও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন নেতৃত্ব ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে যাতে ঠিক পথে চালিত করতে পারেন সেই আশা প্রকাশ করেছেন লেখিকা।

    Click here to Read More
    Previous Article
    নতুন বছরে স্কুলে কড়া শাসন! ২০২৬ একাডেমিক ক্যালেন্ডারে একগুচ্ছ নিয়ম জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের
    Next Article
    Banglahunt Social Summit 2025 - এর "Revolutionary voice of the year" @sarkersangit65

    Related Others Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment