Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতীয় সেনার শক্তি বাড়বে আরও বহুগুণ! পিনাকার বিকল্প হতে চলেছে সুপার রকেট ‘সূর্যাস্ত্র’

    5 days ago

    বাংলাহান্ট: কার্গিল যুদ্ধের ২৭ বছর পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) গোলন্দাজ শক্তি যুগান্তকারী উন্নতির দ্বারপ্রান্তে। দীর্ঘদিন ধরে সেবায় নিয়োজিত ‘পিনাকা’ মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার সিস্টেমের স্থলে এখন আসতে চলেছে আরও শক্তিশালী ও প্রযুক্তিগতভাবে অত্যাধুনিক ‘সূর্যাস্ত্র’। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন এই ব্যবস্থার পাল্লা ও ধ্বংসক্ষমতা বর্তমান পিনাকা সিস্টেমের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি, যা ভারতের সীমান্ত প্রতিরক্ষাকে একটি নতুন মাত্রা দেবে।

    যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতীয় সেনার (Indian Army) শক্তি বাড়বে আরও বহুগুণ!

    এই রূপান্তরের কেন্দ্রে রয়েছে একটি বড় চুক্তি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক পুণেভিত্তিক বেসরকারি প্রতিরক্ষা উৎপাদন সংস্থা এনআইবিই লিমিটেডের সঙ্গে সূর্যাস্ত্র উৎপাদনের জন্য ২৯৩ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা জায়ান্ট এলবিট সিস্টেমসের কারিগরি সহযোগিতায় এই মাল্টি ক্যালিবার রকেট লঞ্চার সিস্টেমটি তৈরি করেছে এনআইবিই। এই উদ্যোগকে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনশিল্পকে শক্তিশালী করবে।

    আরও পড়ুন: অবশেষে সমস্ত অপেক্ষার অবসান! কবে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ? জানিয়ে দিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী

    সূর্যাস্ত্রের কার্যক্ষমতা সম্পর্কে প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গেছে, এটি প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত লক্ষ্যও সঠিকভাবে আঘাত করতে সক্ষম। লক্ষ্যভেদের ক্ষেত্রে এর সম্ভাব্য বিচ্যুতি মাত্র পাঁচ মিটারেরও কম, যা এটিকে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও বিপজ্জনক একটি অস্ত্রsystem করে তুলেছে। এই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ ভারতীয় সেনার আর্টিলারি কোরের দূরপাল্লার আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে বলে বিশ্লেষকরা মত দিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে পিনাকা রকেট লঞ্চারের ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। সে সময় পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত শত্রুর দৃঢ় প্রতিরক্ষা ব্যূহ ও বাঙ্কার ধ্বংসে এর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। রাশিয়ার গ্রাড বিএম-২১-এর বিকল্প হিসেবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পিনাকার আধুনিকীকরণের কাজ যুদ্ধের পর থেকেই চললেও, দ্রুত বদলাতে থাকা আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চাহিদা মেটাতে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়।

    Now Indian Army will be more powerful on battelfield.

    আরও পড়ুন: আরও সহজে পৌঁছনো যাবে কেদারনাথ! রোপওয়ের পর এবার সুড়ঙ্গপথ, কী পরিকল্পনা কেন্দ্রের?

    বর্তমানে সেনাবাহিনীর ব্যবহারে থাকা পিনাকার সর্বাধুনিক সংস্করণের পাল্লা প্রায় ১২০ কিলোমিটার। সূর্যাস্ত্রের প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পাল্লা ও অসাধারণ নিখুঁততা ভারতের কৌশলগত সুবিধাকে বাড়িয়ে দেবে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ব্যবস্থা সেনাবাহিনীর হাতে আসা মানে শুধু সীমান্তরক্ষাই নয়, ভবিষ্যতের কোনো সম্ভাব্য সংঘাতে আক্রমণাত্মক সক্ষমতার ক্ষেত্রেও ভারত এক নতুন ও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ইজতেমার মাটিতে আদর্শ হিন্দু হোটেল!
    Next Article
    শেয়ার বাজারে ৮৯,০০০ শতাংশের দুর্ধর্ষ রিটার্ন এই স্টকের! এবার বড় ঘোষণা করল কোম্পানি

    Related India Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment