Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    শুধু গ্যাস-তেল নয়, যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে বাড়তে পারে বৈদ্যুতিক পণ্যের দাম

    1 month ago

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধের (Iran-Israel War) প্রভাব ধীরে ধীরে অর্থনীতির উপর পড়তে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই রান্নার গ্যাস এবং পেট্রোল ডিজেলের সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, সামনে আসতে বলেছে আরও বিরাট ধাক্কা। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক পণ্যের বাজারে। হ্যাঁ, বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে স্মার্টফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, ইন্ডাকশন কুকার, মাইক্রোওয়েভ সহ বিভিন্ন রকম বৈদ্যুতিক পণ্যের (Electronic Product) দাম হু হু করে বাড়তে পারে।

    হরমুজ প্রণালী নিয়েই উদ্বেগ

    প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী বর্তমানে বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের সবথেকে প্রধান কেন্দ্র। আর এই পথ দিয়ে বিশ্বের বড় বড় অংশের তেল এবং গ্যাস পরিবহন হয়। তবে সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে এই রুটে জাহাজ চলাচল নিয়ে দিনের পর দিন অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। যার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ আর কাঁচামালের উপর চাপ পড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিল্প উৎপাদনের উপর।

    কেন বাড়তে পারে বৈদ্যুতিক পণ্যের দাম?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পিছনে মূলত দুটি কারণ কাজ করছে। প্রথমত, সালফিউরিক অ্যাসিডের সম্ভাব্য সংকট। সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ তৈরির ক্ষেত্রে সালফিউরিক অ্যাসিড সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু এই অ্যাসিড তৈরির কাঁচামাল সালফার মূলত খনিজ তেল পরিশোধনের উপর নির্ভর করে থাকে। আর যদি তেল সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে উৎপাদনও কমে যেতে পারে। যার ফলে চিপ তৈরির কাঁচামালে ঘাটতি দেখা দেবে। আর দ্বিতীয়ত রয়েছে চিপ উৎপাদনে বাধা। কারণ, বিশ্বের সবথেকে বড় অংশের সেমিকন্ডাক্টর চিপ তৈরি হয় তাইওয়ানে। আর সেখানে চিপ কারখানাগুলি সচল রাখার জন্য বিপুল বিদ্যুৎ দরকার। কিন্তু ওই বিদ্যুতের একটি বিরাট অংশ উৎপাদিত হয় এলএনজি থেকে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহের সমস্যা দেখা দিলে চিপ উৎপাদনেও পড়তে পারে প্রভাব।

    এদিকে বাজার সূত্রে খবর, চলতি বছরের মার্চ মাসে ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারের দাম প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। আর বিশ্লেষকদের মতে, যদি পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে এরকম ভাবে চলতে থাকে, তাহলে আগামী অর্থবছরে এই বৃদ্ধি ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকতে পারে। এমনকি শুধু স্মার্টফোন বা কম্পিউটার নয়, বরং এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে পারে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারেও। কারণ, আধুনিক ইলেকট্রিক গাড়িগুলি তৈরির ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ব্যবহার করতে হয়।

    আরও পড়ুন: ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    পোশাক শিল্পে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা

    প্রসঙ্গত, এই সংকটের প্রভাব পড়তে পারে বস্ত্রশিল্পের উপরেও। কারণ, অনেক পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত পলিয়েস্টার মূলত পেট্রো ক্যামিকেল থেকে তৈরি করা হয়। আর তেল ভিত্তিক কাঁচামালের দাম বাড়লে পোশাক শিল্পের উৎপাদন খরচে বাড়তে পারে। ইতিমধ্যেই পলিয়েস্টারের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। আর তেলের সংকট তো রয়েছেই। এক কথায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতি দিনের পর দিন অর্থনীতির উপর যে চাপ সৃষ্টি করছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ইজ্জেজারি‌র গোল, প্রথমার্ধের শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল
    Next Article
    "তৃণমূলের ডিএনএতে হিংসা, পার্টিটার জন্মই হয়েছে হিংসার থেকে" বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    Related Business Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment