Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    রাজীব কুমারের ডিজিপি ভবনে তৃণমূলের বড় ষড়যন্ত্র ফাঁস শুভেন্দুর

    1 month ago

    বঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের রাজনৈতিকীকরণ যেন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। (Suvendu Adhikari)মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে ‘ক্যাডারাইজেশন’ বলে যে প্রক্রিয়া চলছে, তা এখন আর লুকিয়ে রাখার মতো নেই বলে অভিযোগ তুলেছেন খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় এই অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা সদস্য ও প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমার এখনও সরকারি ডিজিপি ভবনে বসবাস করছেন এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন শুভেন্দু।

    এই সরকারি বাংলোকে নাকি ‘রাজনৈতিক কন্ট্রোল রুম’ বানিয়ে ফেলা হয়েছে, যা প্রশাসনিক নিয়মের স্পষ্ট লঙ্ঘন।বিরোধী দলনেতা এই বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পবিত্রতায় সরাসরি আঘাত। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন সিনিয়র আইপিএস অফিসার ভিনীত গোয়েল ও জাভেদ শামিমের মতো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কেন বন্ধ দরজার পিছনে তৃণমূলের একজন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে গোপন বৈঠক করছেন? এর পিছনে কী এজেন্ডা রয়েছে?

    আরও দেখুনঃ চেন্নাইয়ে বড় ধাক্কা, হ্যামস্ট্রিং চোটে অনিশ্চিত আয়ুষ মাত্রের পরবর্তী ম্যাচ

    নির্বাচনী হিংসা বা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের পরবর্তী পর্যায় কি পরিকল্পনা করা হচ্ছে?রাজীব কুমার ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজিপি ছিলেন। অবসরের পর তৃণমূল তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী করে। কিন্তু অবসরের পরও তিনি সরকারি বাংলো ছাড়ছেন না এই অভিযোগে বিজেপি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। শুভেন্দু বলেছেন, এটি সমস্ত প্রশাসনিক নিয়ম বিরুদ্ধ। একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি কেন এখনও সরকারি সুবিধা ভোগ করবেন?

    এতে পুলিশের নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়ছে।বিজেপির দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে পুলিশ বাহিনীকে ধীরে ধীরে দলীয় ক্যাডারে পরিণত করা হয়েছে। সাধারণ পুলিশকর্মী থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ অফিসার অনেকেই নাকি তৃণমূলের প্রতি আনুগত্য দেখাতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পরিবর্তে রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় এই নেক্সাস আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।

    শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচন কমিশন ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অবিলম্বে রাজীব কুমারকে সরকারি বাংলো থেকে উচ্ছেদ করতে হবে এবং ওই গোপন বৈঠকগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করতে হবে। প্রশাসনকে ‘তৃণমূল কোম্পানি’র খপ্পর থেকে মুক্ত করতে হবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ‘ভণ্ডামি ও কাপুরুষতা’মোদীর ভাষণে তীব্র আক্রমণ মমতার
    Next Article
    আরএফডিএল কি ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ মঞ্চ? তরুণদের নতুন সুযোগের দিগন্ত

    Related West Bengal Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment