Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    পাকিস্তানকে সমর্থনের জের! ভারতের এক সিদ্ধান্তেই ৪৩০০ কোটি টাকা লোকসান তুরস্কের

    1 month ago

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের এক সিদ্ধান্তেই বিরাট ক্ষতির মুখে পড়ল কাঙাল পাকিস্তানের বন্ধু দেশ তুরস্ক (Turkey)। আসলে ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ফলে তুর্কির বিমানবন্দর পরিষেবা সংস্থা সেলেবি এভিয়েশন (Celebi Aviation) একধাক্কায় কয়েক হাজার কোটি টাকা খুইয়েছে। এমনটাই দাবি কোম্পানির শীর্ষ নেতৃত্বের। সম্প্রতি সংস্থার চেয়ারপারসন ক্যানান সেলেবিওগ্লু এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ভারতে পরিচালন অনুমোদন বাতিল হওয়ার পর তাদের সংস্থার প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ৪৩০০ কোটি টাকার বাজার মূল্য হারিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    আসলে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনার সময় তুরস্ক প্রকাশ্যে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল। এমনটাই অভিযোগ ওঠে। আর সেই সময় নিরাপত্তা এবং কৌশলগত বিষয়গুলি নিয়ে ভারতের বিভিন্ন মহলের উদ্বেগ বাড়তে শুরু করে। পরবর্তী সময়ে ভারত সরকার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এভিয়েশনের ভারতীয় ইউনাইটেড নিরাপত্তা ছাড়পত্র বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়। যার ফলে দেশের একাধিক বিমানবন্দরে সংস্থাটির কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

    উল্লেখ্য, ভারতের সেলেবি এভিয়েশন দীর্ঘদিন ধরেই বিমানবন্দর পরিষেবার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল। দিল্লি থেকে শুরু করে মুম্বাই, বেঙ্গালুরু সহ দেশের একাধিক বড় বিমানবন্দরে সংস্থাটি কাজ করত। প্রতিবছর হাজার হাজার বিমান পরিচালনা এবং বিপুল পরিমাণ কার্গো ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব তাদের উপরেই ছিল। সংস্থাটি মূলত গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং, কার্গো ম্যানেজমেন্ট, নিরাপত্তার পরীক্ষা, যাত্রীদের ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন ইত্যাদি কাজ করত। এই পরিষেবাগুলি বিমানবন্দরের সংবেদনশীল অংশের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কারণে বিষয়টি নিরাপত্তার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়।

    কোম্পানির দাবি, সরকারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পরপরই অল্প সময়ের মধ্যে তাদের ব্যবসায়িক কাঠামো সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। প্রায় ১০ হাজার কর্মীকে অন্যান্য অপারেটরের কাজে স্থানান্তর করা হয়, এবং সংস্থার পরিচালন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ থমকে যায়। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে ভারতে গড়ে তোলা ব্যবসা একধাক্কায় হারিয়ে যাওয়ার কারণে হতাশা প্রকাশ করে সংস্থার নেতৃত্ব। এদিকে ভারতীয় নিরাপত্তা মহলের মতে, পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর অপারেশন সিঁদুরের সময়। তখন আন্তর্জাতিক সমীকরণে তুরস্কের অবস্থান নিয়েই প্রশ্ন তোলে ভারত। এরপরই নিরাপত্তার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: আজই শেষ হচ্ছে না জনকল্যাণ শিবির, বাড়ানো হল মেয়াদ, কতদিন চলবে?

    যদিও সরকারের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল তুরস্কের এই বিমান সংস্থা। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, তাদের ব্যবসার সঙ্গে তুরস্ক সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু আদালত জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে। এমনকি আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট বলা হয়, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করাই সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ। আর কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, দেশের নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সেই কারণেই ভয়াবহ লোকসানের মুখে পড়েছিল এই সংস্থা।

    Click here to Read More
    Previous Article
    তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে বারবার ব্যর্থ, সত্যিই কি বেপরোয়া ছেলে বৈভব?
    Next Article
    কুণালের উপর ডিম হামলার পরই বড় পদক্ষেপ! মমতার কালীঘাটের বাড়িতে বসল নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    Related India Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment