Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    ইউরোপের এই দেশের সরকারও তালা লাগাচ্ছে অবৈধ মসজিদে

    2 months ago

    এথেন্স: গ্রিসের এথেন্সেও এখন চলছে অবৈধ মসজিদ বন্ধের কাজ (Greece)। গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয় মন্ত্রী থানোস প্লেভ্রিস ঘোষণা করেছেন যে, রাজধানী এথেন্সের পৌরসভা এলাকায় থাকা সব অবৈধ মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই অভিযানকে তিনি ‘সুইপ অপারেশন’ বলে বর্ণনা করেছেন। শহরে মাত্র একটা আইনি মসজিদ রয়েছে সরকারি অর্থে নির্মিত ভোটানিকোস মসজিদ কিন্তু অন্তত ৬০টির মতো অবৈধ মসজিদ চলছে, যাদের বেশিরভাগই পরিচালনা করছেন বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি অভিবাসীরা।

    এই মসজিদগুলো প্রায়শই গ্যারেজ, বেসমেন্ট, ওয়্যারহাউস বা ছোট ফ্ল্যাটে লুকিয়ে চলে।এই ঘোষণা আসার পিছনে রয়েছে একটা সাম্প্রতিক ঘটনা। গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এথেন্সের আগিওস নিকোলাওস এলাকায় একটা বাংলাদেশি-পরিচালিত অবৈধ মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানকার ইমাম বা পরিচালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারপর অভিবাসন মন্ত্রক তার রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করে ডিপোর্টেশন অর্ডার জারি করেছে।

    আরও দেখুন:SIR মামলার আগামী শুনানিতে এজলাসে হাজির থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী

    এটাই নতুন আইনের প্রথম প্রয়োগ যেখানে অবৈধ উপাসনাস্থল পরিচালনা শুধু ফৌজদারি অপরাধ নয়, অভিবাসন আইন লঙ্ঘনও বটে। এতে অপরাধীদের রেসিডেন্স স্ট্যাটাস হারাতে হয় এবং ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়। মন্ত্রী প্লেভ্রিস সংসদের পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিটিতে বলেছেন, “আগিওস নিকোলাওসে যা হয়েছে, সেটাই সর্বত্র হবে।

    সব অবৈধ উপাসনাস্থল বন্ধ করা হবে, এবং যারা পরিচালনা করছে তাদের আইনি ডকুমেন্ট বাতিল করে ডিপোর্ট করা হবে।”এই পদক্ষেপ গ্রিসের কঠোর অভিবাসন নীতির অংশ। গ্রিসে অবৈধ অভিবাসীদের সংখ্যা অনেক, বিশেষ করে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে আসা মানুষেরা। অনেকে অর্থনৈতিক কারণে আসেন, কিন্তু আশ্রয়ের দাবি করে থাকেন। সরকার বলছে, অবৈধ মসজিদগুলো শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি করছে।

    কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে যে এই জায়গাগুলোতে র‌্যাডিক্যালাইজেশনের আশঙ্কা রয়েছে, যদিও সরকার সরাসরি এমন অভিযোগ তোলেনি। মন্ত্রী প্লেভ্রিস স্পষ্ট করে বলেছেন, “যারা গ্রিক আইন মানবে না, তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিপোর্ট করা হবে।”এই অভিযানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলবে। মসজিদগুলো সিল করে দেওয়া হবে, এবং পরিচালকদের ডিপোর্ট করা হবে।

    এথেন্সে মুসলিম সম্প্রদায়ের সংখ্যা লক্ষাধিক, যাদের বেশিরভাগই পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি। তাদের জন্য আইনি মসজিদের অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা। ২০২০ সালে প্রথম সরকারি মসজিদ খোলা হলেও, অবৈধ জায়গাগুলোই প্রধান উপাসনাস্থল ছিল। এখন এই পদক্ষেপে অনেকে বিপাকে পড়েছেন। কেউ কেউ বলছেন, এতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘন হচ্ছে, আবার সরকারের পক্ষে যুক্তি যে আইন মেনে চলতে হবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    DA না পেয়ে করুণ অবস্থা পেনশনভোগীদের! নয়া তথ্য তুলে ধরলেন মলয় মুখোপাধ্যায়
    Next Article
    ‘মমতার পয়েন্টে সহমত বিচারপতিরা’, সুপ্রিম কোর্টের বাইরে কী কী দাবি কল্যাণের?

    Related International Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment