Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    হিজাব খোলায় জীবন্ত ডুবিয়ে খুন ১৮ র মেয়েকে! বাবাকে ৩০ বছরের কারাদন্ড দিল ডাচ আদালত

    3 weeks ago

    আমস্টারডাম: এক মর্মান্তিক এবং হৃদয় বিদারক ঘটনায় কড়া (Ryan Al Najjar)পদক্ষেপ নিল নেদারল্যান্ডসের আদালত। ১৮ বছর বয়সী রায়ান আল নাজ্জারকে হত্যার অভিযোগে তাঁর বাবা খালেদ আল নাজ্জারকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    খালেদ সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়ায় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর দুই ছেলে মুহানাদ ও মোহাম্মদকে প্রত্যেককে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১৮ বছরের রায়ান হিজাব পড়তে চায়নি বলে তার বাবা তাকে এই নৃশংস মৃত্যু উপহার দিয়েছিল। ২০২৪ এ ঘটনায় রায়ানের পরিচিতদের মনে যে ক্ষোভ ছিল তা যেন আজ অনেকটাই প্রশমিত হল আদালতের এই সুবিচারে।

    আরও দেখুনঃ মোদী সফরে বোধোদয়! ভারত থেকে চুরি করা শিল্পকর্ম ফেরাবে অস্ট্রেলিয়া

    ২০২৪ সালের এই ঘটনায় আদালত বলেছে, রায়ানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতের তদন্তে উঠে এসেছে যে, তাঁকে বেঁধে ফেলা হয়েছিল এবং মুখ বন্ধ করে নেদারল্যান্ডসের ওস্টভার্ডার্সপ্লাসেন প্রকৃতি সংরক্ষণ এলাকার এক অগভীর জলাশয়ে জীবন্ত অবস্থায় ফেলে দেওয়া হয়। সেখানেই তিনি ডুবে মারা যান। আদালত এই হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত বলে বর্ণনা করেছে।

    রায়ান আল নাজ্জার ছিলেন এক তরুণী। পরিবারের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসে বাস করতেন। ঘটনার পর থেকেই এই মামলা ইউরোপজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, এটি একটি ‘আত্মসম্মান হত্যা’ (honor killing)। অনেক সময় পরিবারের মেয়েদের স্বাধীনতা, সম্পর্ক বা জীবনযাপনের সিদ্ধান্তকে ‘পরিবারের সম্মানের’ বিরুদ্ধে দেখে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটে।

    আরও দেখুনঃ কোয়েটায় ফের ভয়ঙ্কর আক্রমণ লিবারেশন আর্মির! ৪৫ পাক সেনা মেরে রক্ত গঙ্গা বালুচদের

    খালেদ আল নাজ্জার হত্যার পর সিরিয়ায় পালিয়ে যান। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। তাঁর দুই ছেলে মুহানাদ ও মহম্মদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বাবার নির্দেশে এবং সরাসরি অংশ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করে দীর্ঘ সাজা দিয়েছে।নেদারল্যান্ডসের সমাজে এই রায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

    মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ইউরোপে বসবাসকারী অভিবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে এখনও কঠোর পিতৃতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং ‘সম্মান’ ধারণা অনেকের জীবনকে বিপন্ন করে। রায়ানের মতো অনেক তরুণী যারা নিজেদের মতো করে বাঁচতে চান, তাদের ওপর চরম নির্যাতন চলে।রায়ানের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা আদালতের বাইরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। নেদারল্যান্ডসের নারী অধিকার কর্মীরা এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন, তবে বলছেন যে, এখনও অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা আরও জোরদার করা দরকার।

    আরও দেখুনঃ বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবি: ৫০০-র বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর মৃত্যুর আশঙ্কা

    Click here to Read More
    Previous Article
    "আপনার হাতে এখন অনেক সময় আছে"
    Next Article
    গড়াপেটা করে গ্রেফতার টিম ইন্ডিয়াকে বিশ্বকাপ জেতানো প্লেয়ার

    Related International Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment