Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    ছদ্মবেশে ছিলেন পাকিস্তানে! BJP-তে যোগ দেওয়া প্রাক্তন NSG কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তীকে চেনেন?

    2 months ago

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন, তবে তার আগেই রাজ্যের গেরুয়া শিবিরে ভিড় বাড়াচ্ছে একের পর এক চেনা মুখ। এবার রাজনীতিতে বিরাট চমক। হ্যাঁ, বিজেপিতে যোগদান করলেন প্রাক্তন এনএসজি কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তী (Dipanjan Chakraborty)। রাজ্যের বিজেপি সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য এবং বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ভারতমাতার এই সন্তান। তবে প্রশ্ন উঠছে কে এই দীপাঞ্জন চক্রবর্তী এবং কী তাঁর পরিচয়?

    কে এই দীপাঞ্জন চক্রবর্তী?

    দীপাঞ্জন চক্রবর্তী একজন ভারতীয় সেনার প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো। দেশের সুরক্ষার জন্য যেন নিজের কর্মজীবনে একাধিকবার বিরোধী শক্তির বুলেটের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। এমনকি ছদ্মবেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁকে পাকিস্তানেও দিন কাটাতে হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর হাতে এনকাউন্টার হয়েছে প্রায় ৫০ এর বেশি আতঙ্কবাদী। সবথেকে বড় ব্যাপার, দীর্ঘদিন ধরে RAW এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এক কথায়, কর্মজীবনে বিভিন্ন রকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী থেকেছেন ভারতমাতার এই বীর সন্তান।

    একাধিক তথ্য অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, তিনি নদীয়ার কল্যাণীর বাসিন্দা। ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড বা এনএসজির প্রাক্তন ডেপুটি কমান্ডো হিসেবেই মূলত দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, তিনি ইন্টারপোলের আওতায় ১২টি গোপন অপারেশনে অংশ নিয়েছেন, যার মধ্যে পাকিস্তানেও থাকতে হয়েছে তাঁকে। এদিকে জাতীয় নিরাপত্তা এবং সেবামূলক কাজের স্বীকৃতির জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী সার্ভিস মেডেল লাভ করেন। আর তিনি তাঁর কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে বেশ কিছু বইও লিখেছেন। যার মধ্যে ‘আমি কমান্ডো’ এবং ‘অপারেশন গুড উইল: লাল ফৌজের ডেরায় দীপাঞ্জন’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

    RAW-তে তাঁর যাত্রা কেমন ছিল?

    তিনি নিজের মুখেই বলেছেন, কল্যাণী থেকে এনএসজিতে তাঁর এই দীর্ঘ ৩০ বছরের জার্নি মোটেও সহজ ছিল না। তাঁর কথায়, আমি একটা কথা গর্ব করে বলি, আমি এনএসজিতে প্রথম বাঙালি জিডি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব সামলাতে পেরেছি। তবে একসঙ্গে ১৮ বছর এনএসজি এবং RAW চালানো সত্যিই কঠিন ব্যাপার তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এমনকি বেতন কাঠামো নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ৯০ দশকে তখন বেতন ছিল খুবই সামান্য। তৃতীয় বেতন কমিশন চলছিল কেন্দ্র সরকারের। আর বেসিক বেতন ছিল ২২০০ থেকে ৪০০০ টাকার মধ্যে। আমার বেসিক ছিল মাত্র ৩৭০০ টাকা। তবে সব মিলিয়ে ওই মোটামুটি ১৫-২০ হাজার টাকা হতো। যা দিয়ে টেনেটুনে কোনওরকম সংসার চালানো যেত।

    এনকাউন্টার করে গর্বিত নন দীপাঞ্জন?

    দীপাঞ্জন জানিয়েছেন, কোনও এনকাউন্টার করে তিনি খুব একটা গর্বিত বা গর্ব অনুভব করতেন না। এমনকি তাঁর যে খুব খারাপ লাগতো এমনটাও নয়। তিনি জানিয়েছেন, এটা তাঁর কাজ। তিনি ভারতমাতার সেবার জন্যই যুক্ত। তাঁর দায়িত্বই তিনি সামলাইছেন। তাঁর কথায়, আমরা সিস্টেমের মধ্যেই রয়েছি। আমি অটোমেশনের উপরেই বিশ্বাস করি। আমি ৫০ টির বেশি এনকাউন্টার করেছি আমার কর্মজীবনে। এমনকি সবকিছু আমি ডায়েরিতে লিখে রাখতাম। তবে আমি যে কয়েকজনকে এনকাউন্টার করেছি, প্রত্যেক ডেড বডির কাছে পায়ে জুতো খুলে ক্ষমা চেয়েছি।

    আরও পড়ুন: ‘বিশ্বমঞ্চে প্রভাব বাড়ছে ভারতের!’ প্রশংসায় পঞ্চমুখ জাতিসংঘের প্রধানের

    এক কথায় কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন অভিজ্ঞতার সাক্ষী থেকেছেন, যা ভারতীয় আর্মির প্রতি তাঁর ভাবমূর্তিকে জাগিয়ে তোলে। তবে যেহেতু সামনে বিধানসভা নির্বাচন, আর তার আগে রাজ্যের বঙ্গ বিজেপি দল ভাড়াতে চাইছে, সেই কারণেই একের পর এক পরিচিত মুখ গেরুয়া শিবিরে যোগদান করছেন, যা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট ডামাডোল সৃষ্টি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ভারতের কাছে মহাকাশ প্রযুক্তি বিক্রি করবে ফ্রান্স, হয়ে গেল বিরাট চুক্তি
    Next Article
    আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আবহাওয়ার বড় ‘গেম’! দক্ষিণবঙ্গ নিয়ে আগাম আপডেট দিল আবহাওয়া দপ্তর

    Related politics Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment