Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    চায়ের দোকান চালানোর নাম করে পাক গুপ্তচরবৃত্তি! গেরুয়া রাজ্যে আইনের আওতায় মুস্তাক আলি

    1 month ago

    জয়পুর: রাজস্থানের নাছনা, জয়সলমের থেকে গ্রেফতার মুস্তাক আলিকে(Mustaq Ali) বিশেষ আদালতে তোলা হল। রাজস্থান ইন্টেলিজেন্সের অভিযোগ, তিনি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে দেশের স্পর্শকাতর তথ্য পাচার করছিলেন। বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর সুদেশ সতওয়ান বলেছেন, তার মোবাইলে দেশ, সেনাবাহিনী ও বিএসএফ সংক্রান্ত ছবি, ভিডিও এবং ফাইল পাওয়া গেছে, যা তিনি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠিয়েছিলেন।

    মুস্তাক আলি জয়সলমেরের নাছনা এলাকায় একটি ছোট চায়ের দোকান চালাতেন। প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, এই চায়ের দোকানকে আড়াল করে তিনি স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করতেন। তার মোবাইলে উন্নত প্রযুক্তির ‘গুগল ম্যাপস ক্যামেরা অ্যাপ’ পাওয়া গেছে, যার মাধ্যমে ছবি ও ভিডিও তোলার সময় সেই স্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হয়। এই অ্যাপ ব্যবহার করে তিনি সেনাবাহিনী ও বিএসএফ-এর গতিবিধি, অবস্থানসহ গুরুত্বপূর্ণ ছবি ও ভিডিও তুলে পাকিস্তানে পাঠাতেন।

    আরও দেখুনঃ LOC পেরিয়ে ভারতে প্রেম করতে এসে সেনার হাতে আটক POK র যুবক

    সুদেশ সতওয়ান আরও জানান, মুস্তাক আলি কমপক্ষে দু’বছর ধরে পাকিস্তানি এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তার তৎপরতা বেড়ে গিয়েছিল। নিয়মিত ফাইল, ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছিলেন। রাজস্থান ইন্টেলিজেন্স টিম তার মোবাইল বাজেয়াপ্ত করার পর এসব প্রমাণ হাতে আসে। তাকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালত তাকে ২২ জুন পর্যন্ত রিমান্ডে পাঠিয়েছে।

    এই গ্রেফতার রাজস্থানের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। জয়সলমের সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সেখানে সেনা ও বিএসএফ-এর তৎপরতা বেশি। অভিযোগ, মুস্তাক আলি সাধারণ চায়ের দোকানদারের ছদ্মবেশে স্থানীয় মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতেন। তারপর সেগুলো পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে পৌঁছে দিতেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা এই খবরে চাঞ্চল্য প্রকাশ করেছেন। সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের গুপ্তচরবৃত্তি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। বিশেষ করে যখন প্রযুক্তির সাহায্যে স্থানাঙ্কসহ ছবি পাঠানো হয়, তখন শত্রুপক্ষের পক্ষে লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা সহজ হয়ে যায়।রাজস্থান ইন্টেলিজেন্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মুস্তাক আলির সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তার ফোনের কল রেকর্ড, চ্যাট ও অন্যান্য ডেটা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এই তদন্তে নতুন কোনো সূত্র বেরিয়ে আসলে আরও গ্রেফতার হতে পারে।এই ঘটনা দেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে গুপ্তচরবৃত্তির বিরুদ্ধে সতর্কতা আরও বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ মানুষের ছদ্মবেশে এ ধরনের কাজ করা লোকজনকে চিহ্নিত করা খুবই জরুরি। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো দরকার, যাতে তারা সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানায়।

    Click here to Read More
    Previous Article
    পাক আক্রমণে বিধ্বস্ত আগানিস্তানকে ৫ টন জীবনদায়ী ওষুধ পাঠিয়ে মানবিকতার নজির মোদীর
    Next Article
    বাজেটে বড় চমক? ব্লু-প্রিন্ট সাজাতে নির্মলার দরবারে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী

    Related India Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment