Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    বিরোধী দলনেতা পদে শোভনদেব? জল্পনায় স্পষ্ট বার্তা বিধানসভার

    4 weeks ago

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার মর্যাদা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Shovondeb Chattopadhyay) । তাঁকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। সেই সঙ্গে তাঁর করা আরটিআই বা তথ্য জানার অধিকার আইনের আবেদনকে ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।(Shovondeb Chattopadhyay) এই পরিস্থিতিতে পুরো বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানালেন বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে(Shovondeb Chattopadhyay) বিরোধী দলনেতা করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিধি ও প্রশাসনিক নিয়ম যথাযথভাবে মানেনি তৃণমূল কংগ্রেস।

    বিতর্কের সূত্রপাত হয় বিধানসভায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের জন্য নির্দিষ্ট ঘর না পাওয়াকে কেন্দ্র করে। সাধারণত বিরোধী দলনেতার জন্য বিধানসভায় একটি নির্দিষ্ট কক্ষ বরাদ্দ থাকে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই ঘর তালাবন্ধ অবস্থায় রয়েছে। যদিও তৃণমূল পরিষদীয় দলের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল যে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তারপরও কেন তাঁকে আনুষ্ঠানিক মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে।

    এই আবহেই সামনে আসে বিধানসভার সচিবের একটি চিঠি। সেই চিঠিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যে আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে কোনও ‘রেজুলিউশন কপি’ বা দলের বিধায়কদের সমর্থনপত্র সংযুক্ত করা হয়নি। অর্থাৎ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা (Shovondeb Chattopadhyay) হিসেবে কতজন বিধায়ক সমর্থন করছেন, তার কোনও লিখিত প্রমাণ বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা পড়েনি। সচিবের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছাড়া নিয়ম অনুযায়ী কাউকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া সম্ভব নয়।

    শুধু শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেই নয়, ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার আবেদনেও একই ধরনের ত্রুটি ছিল বলে দাবি করেছেন সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস। তাঁর বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট আবেদনপত্রে পরিষদীয় দলের সদস্যদের মতামত বা সমর্থনের উল্লেখ ছিল না। ফলে বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু নিয়ম মেনেই দলীয় সিদ্ধান্তের রেজুলিউশন কপি চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই প্রয়োজনীয় নথি এখনও পর্যন্ত জমা পড়েনি বলেই দাবি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের।

    সৌমেন্দ্রনাথ দাস সংবাদমাধ্যমের সামনে চিঠিটি দেখিয়ে বলেন, “এই চিঠির সঙ্গে কোনও রেজুলিউশন কপি যুক্ত ছিল না। শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে কতজন সদস্য সমর্থন করেছেন, সেটা উল্লেখ নেই। একইভাবে ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ হিসেবে সমর্থনের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়নি।” তাঁর এই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

    তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধুমাত্র প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ত্রুটি নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। বিরোধী শিবিরও এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলকে আক্রমণ শুরু করেছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    নরেন্দ্রপুরে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে হামলা, সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালে
    Next Article
    কেন টিম ইন্ডিয়ায় জায়গা হচ্ছে না শামির? সমস্যা নিয়ে মুখ খুললেন আগরকর

    Related politics Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment