Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    আর দরকার নেই এলপিজির! বিকল্প তৈরী ভারতে

    1 month ago

    dme-lpg-alternative-india-csir-ncl-pune

    পুনে: রান্নার গ্যাসের সমস্যাকে নতুন দিশা দিয়েছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। (DME as LPG alternative)তাঁরা ডাইমিথাইল ইথার (DME) নামের একটি গ্যাসকে এলপিজি-র বিকল্প হিসেবে তৈরি করার প্রযুক্তি উন্নয়ন করেছেন। এলপিজি, অর্থাৎ লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস, আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ পরিবারের রান্নাঘরের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে কোটি কোটি পরিবারে এই গ্যাস পৌঁছে গেছে, কিন্তু সমস্যা হলো, ভারত এখনও বেশিরভাগ এলপিজি আমদানি করে।

    মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, এসবের কারণে দাম বাড়ে, সরবরাহে টান পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে দেশীয় উৎপাদনের বিকল্প খুঁজে পাওয়া খুবই জরুরি। আর এখানেই CSIR-NCL-এর বিজ্ঞানীদের ভূমিকা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।পুনের এই ল্যাবরেটরিতে বিজ্ঞানীরা মিথানল থেকে DME তৈরির একটি পেটেন্ট-সুরক্ষিত প্রক্রিয়া তৈরি করেছেন।

    আরও দেখুনঃ অমৃতসরে ISI মদতপুষ্ট জঙ্গি মডিউল ভাঙল পুলিশ, উদ্ধার AK-47

    এর মূলে রয়েছে একটি বিশেষভাবে উদ্ভাবিত অনুঘটক (catalyst), যা অত্যন্ত সক্রিয়, নির্বাচিত এবং খরচ-কার্যকর। এই অনুঘটকের সাহায্যে মিথানলকে DME-তে রূপান্তরিত করা যায় খুব দক্ষতার সঙ্গে। প্রক্রিয়াটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, মাত্র ১০ বার চাপে DME উৎপাদন সম্ভব, যার ফলে অপারেশনাল খরচ খুব কম পড়ে। সবচেয়ে বড় সুবিধা এই DME সরাসরি বিদ্যমান এলপিজি সিলিন্ডারে ভরা যায়। কোনো নতুন সিলিন্ডার, রেগুলেটর, হোস বা বার্নার লাগবে না।

    এমনকি বিজ্ঞানীরা একটি ফ্লেক্স-ফুয়েল বার্নারও তৈরি করেছেন, যা ১০০% এলপিজি থেকে ১০০% DME যেকোনো মিশ্রণে কাজ করতে পারে।বর্তমানে ল্যাবরেটরিতে একটি পাইলট প্রজেক্ট চলছে, যেখানে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ কিলোগ্রাম DME উৎপাদন হচ্ছে। এটা ছোট মাপের হলেও সফলতার প্রমাণ। বিজ্ঞানীরা এখন এই প্রযুক্তিকে আরও বড় করে তুলতে চান। একটি প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং পার্টনারের সঙ্গে মিলে ৬-৯ মাসের মধ্যে ২.৫ টন প্রতিদিনের একটি ডেমোনস্ট্রেশন প্ল্যান্ট তৈরি করার পরিকল্পনা চলছে।

    এটা সফল হলে বাণিজ্যিক স্কেলে ৫০-১০০ টন বা তারও বেশি ক্ষমতার প্ল্যান্ট গড়ে তোলা সম্ভব হবে। CSIR-NCL-এর ডিরেক্টর ড. আশীষ লেলে বলেছেন, তারা তেলের পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং (PSU) এবং বায়োএনার্জি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে পার্টনারশিপ করে এগোতে চান।DME-এর বৈশিষ্ট্য এলপিজি-র খুব কাছাকাছি। এটি পরিষ্কার জ্বালানি, কম দূষণ করে এবং রান্নার জন্য আদর্শ।

    এছাড়া, মিথানলকে কয়লা, বায়োমাস বা ক্যাপচার করা CO₂ থেকে তৈরি করা যায়, যা দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ ব্যবহার করে জ্বালানি উৎপাদনের সুযোগ করে দেয়। ফসলের অবশিষ্টাংশ থেকে এটি তৈরি হলে কৃষকদেরও অতিরিক্ত আয় হতে পারে, পরিবেশও সুরক্ষিত থাকবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    আজই শেষ সুযোগ! অ্যাডভান্স কর না দিলে গুনতে হবে মোটা জরিমানা, কত? জানুন…
    Next Article
    কমে গেল সোনার দাম, রুপো হল কত? আজকের রেট

    Related India Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment