Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    ‘আমরা যাদবপুরে ঢুকব না, কিন্তু দেশবিরোধী স্লোগান দিলে’ কড়া হুঁশিয়ারি শমীক ভট্টাচার্যের

    1 month ago

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে বাংলার রাজনীতিতে উত্তেজনা তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারির পর ক্যাম্পাসের দেওয়ালের দেশ বিরোধী স্লোগান মোছা হলেও ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের আজাদী স্লোগান লিখে দেয় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন। এবার এ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তিনি বললেন, যারা মানুষের কাছ থেকে সরে গিয়ে স্লোগান দিচ্ছে, তাদেরকে ভাগীরথীর জলে ভাসানোর ব্যবস্থা করব। এটা আমরা চলতে দেবো না।

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিস্ফোরক শমীক ভট্টাচার্য

    সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচিতে গিয়ে কড়া বার্তা দেন। তার পরপরই সেই বিতর্কিত স্লোগান মুছে ফেলা হয় দেওয়াল থেকে। কিন্তু পরে অবশ্য ফের দেশ বিরোধী স্লোগান লেখা হয়। এমনকি যাদবপুরের অন্যান্য দেওয়ালেও এখন পাল্টা স্লোগান লিখতে শুরু করেছে এবিভিপি। তাদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা দায়িত্ববোধ এবং নীতিগত জায়গা থেকেই দেশবিরোধী স্লোগানের বিরুদ্ধে গিয়ে ‘ফ্রি পিওকে’ এবং ‘ফ্রি আকসাই চিন’ এর মতো দেওয়াল লিখন করছে। পাশাপাশি লেনিন বিরোধী স্লোগান লেখা হয়েছে বলেও খবর। এমনকি তারা জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি সমস্ত ধরনের দেওয়াল লিখন নিয়ে কড়া অবস্থান নেয়, তাহলে তারাও লিখন বন্ধ করবে।

    এদিকে আজ বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের বাড়িতে বৈঠক সারেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তারপর শতদল সংঘের খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেখান থেকেই তিনি একাধিক বক্তব্য রাখেন। আর সেখানেই তিনি যাদবপুর প্রসঙ্গ নিয়ে বলেন, “কেউ কেউ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে মানুষের পাশ থেকে সরে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করে স্লোগান দিচ্ছে। আমরা তাদেরকে বলতে চাই, আমরা ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢুকব না। কিন্তু পুলিশ যাতে ব্যবস্থা নেয় সেটা দেখতে হবে। আর যারা লিখবে ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে, সেটা পুলিশ দেখবে। যারা বলবে মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দিতে হবে একাংশকে, তাদেরকে ভাসানোর ব্যবস্থা করব। এটা আমরা চলতে দেব না।”

    আরও পড়ুন: ফ্রিতে বিদেশে পড়ার সুযোগ, রাজ্যে চালু হল স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ

    পাশাপাশি এদিন কলকাতার দুর্গাপুজোর ঐতিহ্য নিয়েও একাধিক বক্তব্য রাখেন রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “এবারে দুর্গাপুজো অন্যরকম ভাবে দেখতে পাবে বাংলার মানুষ। শিয়ালদা থেকে লেবুতলা পার্কে এবার জনসমুদ্র দেখবে মানুষ। গত কয়েক বছর দুর্গাপুজোয় একাধিক বিপর্যয় হয়েছে। এর আগে মা দুর্গার বিসর্জনের জায়গা পেত না মানুষ। যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি সেটাই ঐতিহাসিক জায়গা। এই পুজো যেন ভবিষ্যতে করে যেতে পারি, সেটার জন্য সকলকে একসঙ্গে থাকতে হবে।”

    Click here to Read More
    Previous Article
    পুজোর আগেই সুখবর, এইদিন থেকে কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩৮% DA
    Next Article
    সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! বেতন ভাতা নিয়ে একগুচ্ছ ঘোষণা সরকারের

    Related politics Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment